২৬শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল দিন—আমাদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বৃহস্পতিবার ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমরা স্বাধীনতার ৫৫বছর উদযাপন করছি। এই দিনটি কেন আমাদের জন্য এতো গুরুত্বপূর্ণ
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে (অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরীহ বাঙালিদের ওপর 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে বর্বরোচিত হামলা শুরু করে, তখন মেজ জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
এই দিনটি মূলত পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের সংকল্পের প্রতীক। ২৬শে মার্চ থেকেই শুরু হয়েছিল আমাদের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, যার বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ভোরে ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্বরে ও সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তোপধ্বনি: ভোরের সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন: দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: দেশজুড়ে কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা এবং বিশেষ আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়।
সকাল ৯টায় ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলি আজগর লবী , বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত কুমার বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম মানিক, ডেপুটি কমান্ডার নূরুন নবী খোকা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দিবাষীশ বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মনোজ কান্তি রায়, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ এরশাদ, বেলায়েত হোসেন, শেখ জাহিদুর রহমান বিপ্লব, শেখ হাবিবুর রহমান, আব্দুল মজিদ,বাচ্চু ইলিয়াস হোসাইন, এনামুল বাসার টিটো, জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, আব্দুল মজিদ মোক্তার হোসেন, আরিফুজ্জামান নয়ন, মহিদুল ইসলাম খান, সোহেল আহমদ, ফরিদুল ইসলাম,সহ আরো অনেক উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
২৬শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল দিন—আমাদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বৃহস্পতিবার ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমরা স্বাধীনতার ৫৫বছর উদযাপন করছি। এই দিনটি কেন আমাদের জন্য এতো গুরুত্বপূর্ণ
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে (অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরীহ বাঙালিদের ওপর 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে বর্বরোচিত হামলা শুরু করে, তখন মেজ জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
এই দিনটি মূলত পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের সংকল্পের প্রতীক। ২৬শে মার্চ থেকেই শুরু হয়েছিল আমাদের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, যার বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ভোরে ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্বরে ও সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তোপধ্বনি: ভোরের সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন: দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: দেশজুড়ে কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা এবং বিশেষ আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়।
সকাল ৯টায় ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলি আজগর লবী , বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত কুমার বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম মানিক, ডেপুটি কমান্ডার নূরুন নবী খোকা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দিবাষীশ বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মনোজ কান্তি রায়, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ এরশাদ, বেলায়েত হোসেন, শেখ জাহিদুর রহমান বিপ্লব, শেখ হাবিবুর রহমান, আব্দুল মজিদ,বাচ্চু ইলিয়াস হোসাইন, এনামুল বাসার টিটো, জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, আব্দুল মজিদ মোক্তার হোসেন, আরিফুজ্জামান নয়ন, মহিদুল ইসলাম খান, সোহেল আহমদ, ফরিদুল ইসলাম,সহ আরো অনেক উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন