জামালপুর গরু চোর সন্দেহে যুবককে ধরতে গিয়ে না পেয়ে তার বাবা-মাকে তুলে নিয়ে সালিসে বৈঠকে মারধরের অপমান ও নির্যাতন সইতে না পেরে মা জোসনা বানু আত্মহত্যার ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে জামালপুর সদর থানা পুলিশ।
জামালপুরে গরু চোর সন্দেহে যুবককে না পেয়ে তার বাবা-মাকে তুলে নিয়ে সালিস বৈঠকে মারধর ও নির্যাতনের অপমান সইতে না পেরে মা জোসনা বানুর আত্মহত্যার ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহইয়া আল মামুন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— জামালপুর সদর উপজেলার পূর্ব কুটামনি এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে গোলাম কিবরিয়া মুক্তা (২৮) এবং মো. নায়েব আলীর ছেলে মো. হৃদয় (২০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার খলিল হাটা এলাকার নায়েব আলী মেম্বারের স্বজনের গোয়াল ঘরে শব্দ হলে সুজন, তোতা মিয়া ও সোহেল রানার ওপর চুরির সন্দেহ হয়। নায়েব আলী মেম্বার দলবল নিয়ে প্রতিবেশী সুরুজ আলীর ছেলে সুজনকে ধরতে যান। সুজনকে না পেয়ে তার মা জোসনা বানু বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয় এবং সুজনের বাবা সুরুজ আলীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
[caption id="attachment_24196" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
পরবর্তীতে তোতা মিয়া ও সোহেল রানাকে ধরে এনে নায়েব আলী মেম্বারের বোনের বাড়িতে সালিস বসানো হয়। সেখানে তিনজনকে একত্রে বেঁধে গণপিটুনি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সুজনের মা জোসনা বানুকেও ডেকে এনে চুল টেনে হিঁচড়ে কিল-ঘুষি ও অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। সালিস শেষে বাড়ি ফিরে অপমানে ও মানসিক যন্ত্রণায় নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন জোসনা বানু।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনের নজরে আসে। তার নির্দেশে সদর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে।
জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহইয়া আল মামুন বলেন, "আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও নির্যাতনের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
জামালপুর গরু চোর সন্দেহে যুবককে ধরতে গিয়ে না পেয়ে তার বাবা-মাকে তুলে নিয়ে সালিসে বৈঠকে মারধরের অপমান ও নির্যাতন সইতে না পেরে মা জোসনা বানু আত্মহত্যার ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে জামালপুর সদর থানা পুলিশ।
জামালপুরে গরু চোর সন্দেহে যুবককে না পেয়ে তার বাবা-মাকে তুলে নিয়ে সালিস বৈঠকে মারধর ও নির্যাতনের অপমান সইতে না পেরে মা জোসনা বানুর আত্মহত্যার ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহইয়া আল মামুন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— জামালপুর সদর উপজেলার পূর্ব কুটামনি এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে গোলাম কিবরিয়া মুক্তা (২৮) এবং মো. নায়েব আলীর ছেলে মো. হৃদয় (২০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার খলিল হাটা এলাকার নায়েব আলী মেম্বারের স্বজনের গোয়াল ঘরে শব্দ হলে সুজন, তোতা মিয়া ও সোহেল রানার ওপর চুরির সন্দেহ হয়। নায়েব আলী মেম্বার দলবল নিয়ে প্রতিবেশী সুরুজ আলীর ছেলে সুজনকে ধরতে যান। সুজনকে না পেয়ে তার মা জোসনা বানু বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয় এবং সুজনের বাবা সুরুজ আলীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
[caption id="attachment_24196" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
পরবর্তীতে তোতা মিয়া ও সোহেল রানাকে ধরে এনে নায়েব আলী মেম্বারের বোনের বাড়িতে সালিস বসানো হয়। সেখানে তিনজনকে একত্রে বেঁধে গণপিটুনি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সুজনের মা জোসনা বানুকেও ডেকে এনে চুল টেনে হিঁচড়ে কিল-ঘুষি ও অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। সালিস শেষে বাড়ি ফিরে অপমানে ও মানসিক যন্ত্রণায় নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন জোসনা বানু।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনের নজরে আসে। তার নির্দেশে সদর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে।
জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহইয়া আল মামুন বলেন, "আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও নির্যাতনের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন