নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব: ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব: ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে কৃষি জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও শিলার আঘাতে ঘরবাড়িরও ক্ষতি হয়েছে। 


কালবৈশাখী ঝড়

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ১২টার পর থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আঘাত হানা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোথাও কোথাও ঘরবাড়ির টিনের ছাউনিও ফুটো হয়ে গেছে। তবে বৃষ্টির চেয়ে শিলার আঘাতেই কৃষকের সবুজ খেত মাটিতে নুইয়ে পড়েছে বেশি।

জানা গেছে, শুক্রবার মধ্যরাতের পর আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায় এবং শুরু হয় ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। এতে জেলার ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা ও সদর উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শিলাবৃষ্টির কারণে মাঠের আলু, গম, ভুট্টা, মরিচ, বাদাম, তামাক ও কলাসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক স্থানে শিলার আঘাতে গাছের কাঁচা ফল ঝরে পড়েছে এবং ঘরবাড়ির জানালার কাচ ভেঙে গেছে।

চলতি মৌসুমে আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে এমনিতেই লোকসানে ছিলেন কৃষকরা। ধারদেনা করে আবাদ করা ভুট্টা, মরিচ ও তামাকের খেত চোখের সামনে নষ্ট হতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। ডিমলা উপজেলার কৃষক হামিদুল ইসলাম বলেন, "কয়েক মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে।" ডোমারের চিলাহাটি এলাকার কৃষক সুমন মিয়া জানান, শিলার আঘাতে তার কলা ও মরিচের খেত মাটিতে মিশে গেছে।

ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর সবুর জানান, গতকাল রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী কয়েকদিনও এমন ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ডোমার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


নীলফামারীতে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব: ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে কৃষি জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও শিলার আঘাতে ঘরবাড়িরও ক্ষতি হয়েছে। 


কালবৈশাখী ঝড়

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ১২টার পর থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আঘাত হানা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোথাও কোথাও ঘরবাড়ির টিনের ছাউনিও ফুটো হয়ে গেছে। তবে বৃষ্টির চেয়ে শিলার আঘাতেই কৃষকের সবুজ খেত মাটিতে নুইয়ে পড়েছে বেশি।

জানা গেছে, শুক্রবার মধ্যরাতের পর আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায় এবং শুরু হয় ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। এতে জেলার ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা ও সদর উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শিলাবৃষ্টির কারণে মাঠের আলু, গম, ভুট্টা, মরিচ, বাদাম, তামাক ও কলাসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক স্থানে শিলার আঘাতে গাছের কাঁচা ফল ঝরে পড়েছে এবং ঘরবাড়ির জানালার কাচ ভেঙে গেছে।

চলতি মৌসুমে আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে এমনিতেই লোকসানে ছিলেন কৃষকরা। ধারদেনা করে আবাদ করা ভুট্টা, মরিচ ও তামাকের খেত চোখের সামনে নষ্ট হতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। ডিমলা উপজেলার কৃষক হামিদুল ইসলাম বলেন, "কয়েক মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে।" ডোমারের চিলাহাটি এলাকার কৃষক সুমন মিয়া জানান, শিলার আঘাতে তার কলা ও মরিচের খেত মাটিতে মিশে গেছে।

ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর সবুর জানান, গতকাল রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী কয়েকদিনও এমন ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ডোমার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত