চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারী এক নারীসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, ভিকটিমের সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সূত্রে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাধীন সাতগাড়ী গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা (৩০)।
কবিতা ভিকটিমকে ফুসলিয়ে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল কবিতার খালাতো ভাই আব্দুস সালাম।
পরবর্তীতে তারা আলমডাঙ্গা সড়কের খাদিমপুর বেলেদারী ফাঁকা মাঠ সংলগ্ন একটি আমবাগানে নিয়ে যায় ভিকটিমকে।
সেখানে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আদম আলী ও মিজান পালাক্রমে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। এ সময় তাদের সহযোগিতা করেন আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলী।
ঘটনার পর ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পুনরায় বড়বাজারে নামিয়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফিরে ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে পুরো বিষয়টি জানাজানি হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে ভিকটিম বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে ভোর ৪টার দিকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১. কবিতা (মূল পরিকল্পনাকারী) ২. মিজান (ধর্ষণকারী) ৩. আদম আলী (ধর্ষণকারী) ৪. আব্দুস সালাম (সহযোগী) ৫. শাহজাহান (সহযোগী) ৬. সামাদ আলী (সহযোগী)
ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সব আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল।" — মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারী এক নারীসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, ভিকটিমের সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সূত্রে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাধীন সাতগাড়ী গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা (৩০)।
কবিতা ভিকটিমকে ফুসলিয়ে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল কবিতার খালাতো ভাই আব্দুস সালাম।
পরবর্তীতে তারা আলমডাঙ্গা সড়কের খাদিমপুর বেলেদারী ফাঁকা মাঠ সংলগ্ন একটি আমবাগানে নিয়ে যায় ভিকটিমকে।
সেখানে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আদম আলী ও মিজান পালাক্রমে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। এ সময় তাদের সহযোগিতা করেন আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলী।
ঘটনার পর ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পুনরায় বড়বাজারে নামিয়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফিরে ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে পুরো বিষয়টি জানাজানি হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে ভিকটিম বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে ভোর ৪টার দিকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১. কবিতা (মূল পরিকল্পনাকারী) ২. মিজান (ধর্ষণকারী) ৩. আদম আলী (ধর্ষণকারী) ৪. আব্দুস সালাম (সহযোগী) ৫. শাহজাহান (সহযোগী) ৬. সামাদ আলী (সহযোগী)
ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সব আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল।" — মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।

আপনার মতামত লিখুন