গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার রিসাতলা ফিলিং স্টেশনে আজ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল সংগ্রহ করতে মোটরচালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরচালকরা। উপজেলার রিসাতলা ফিলিং স্টেশনে আজ রোববার সকাল থেকেই তেল সংগ্রহ করতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও চালকরা চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না; মাথাপিছু মাত্র ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
[caption id="attachment_24288" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেলের জন্য অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। সময় গড়ানোর সাথে সাথে লাইনের দৈর্ঘ্য আরও দীর্ঘ হচ্ছে। তেলের পাম্পে ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা।
স্থানীয় মোটরচালকরা জানান, তেলের সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অল্প পরিমাণ তেল নিয়েই কাজ চালাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি মিলছে না। একজন মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র ২০০ টাকার তেল পেলাম। এইটুকু তেলে কতদূর যাওয়া যায়?"
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নিয়মিত তেল সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় এই কৃত্রিম সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত না করলে জনদুর্ভোগ আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার রিসাতলা ফিলিং স্টেশনে আজ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল সংগ্রহ করতে মোটরচালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরচালকরা। উপজেলার রিসাতলা ফিলিং স্টেশনে আজ রোববার সকাল থেকেই তেল সংগ্রহ করতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও চালকরা চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না; মাথাপিছু মাত্র ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
[caption id="attachment_24288" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেলের জন্য অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। সময় গড়ানোর সাথে সাথে লাইনের দৈর্ঘ্য আরও দীর্ঘ হচ্ছে। তেলের পাম্পে ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা।
স্থানীয় মোটরচালকরা জানান, তেলের সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অল্প পরিমাণ তেল নিয়েই কাজ চালাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি মিলছে না। একজন মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র ২০০ টাকার তেল পেলাম। এইটুকু তেলে কতদূর যাওয়া যায়?"
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নিয়মিত তেল সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় এই কৃত্রিম সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত না করলে জনদুর্ভোগ আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন