গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাত ৪টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ববিতা ও তাঁর স্বামী হারুন মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের কলহ ছিল। ঘটনার দিন ঝগড়া চলাকালীন ববিতা তাঁর স্বামী হারুনের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পেরেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, এর প্রতিশোধ নিতেই হারুন তাঁর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পুলিশ একটি বিচ্ছিন্ন পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করেছে, যা হারুন মিয়ার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম খান জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই হারুন পলাতক ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় তিনি আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেলে ভর্তি আছেন। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি বলেন “গ্রেপ্তারকৃত হারুন মিয়া বর্তমানে শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতার কারণে কথা বলতে পারছেন না। সুস্থ হলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।”
এ ঘটনায় নিহত ববিতা খাতুনের মা হাসনা বেগম বাদী হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাত ৪টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ববিতা ও তাঁর স্বামী হারুন মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের কলহ ছিল। ঘটনার দিন ঝগড়া চলাকালীন ববিতা তাঁর স্বামী হারুনের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পেরেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, এর প্রতিশোধ নিতেই হারুন তাঁর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পুলিশ একটি বিচ্ছিন্ন পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করেছে, যা হারুন মিয়ার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম খান জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই হারুন পলাতক ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় তিনি আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেলে ভর্তি আছেন। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি বলেন “গ্রেপ্তারকৃত হারুন মিয়া বর্তমানে শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতার কারণে কথা বলতে পারছেন না। সুস্থ হলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।”
এ ঘটনায় নিহত ববিতা খাতুনের মা হাসনা বেগম বাদী হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন