মাদারীপুর পৌর শহরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত চলা এই সহিংসতায় অন্তত ১৫টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর এবং ৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরে শহরের প্লানেট কমিউনিটি সেন্টারে ইতালি প্রবাসী মামুনের বিয়ের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিতণ্ডার সূত্রপাত হয়। থানতলী এলাকার আকিব এবং পাকদী এলাকার মঈন মুন্সির মধ্যে এই বাগবিতণ্ডা হয়। উপস্থিত অতিথিরা তখন বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও তার রেশ গড়ায় মাঠপর্যায়ে।
বিয়ের অনুষ্ঠানের সেই ঘটনার জেরে রোববার সন্ধ্যায় আকিব ও মঈন গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৯টার দিকে আবারও উভয়পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে উত্তেজনা থামেনি; সোমবার ভোররাতে পাকদী এলাকায় অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
মাদারীপুর পৌর শহরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত চলা এই সহিংসতায় অন্তত ১৫টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর এবং ৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরে শহরের প্লানেট কমিউনিটি সেন্টারে ইতালি প্রবাসী মামুনের বিয়ের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিতণ্ডার সূত্রপাত হয়। থানতলী এলাকার আকিব এবং পাকদী এলাকার মঈন মুন্সির মধ্যে এই বাগবিতণ্ডা হয়। উপস্থিত অতিথিরা তখন বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও তার রেশ গড়ায় মাঠপর্যায়ে।
বিয়ের অনুষ্ঠানের সেই ঘটনার জেরে রোববার সন্ধ্যায় আকিব ও মঈন গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৯টার দিকে আবারও উভয়পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে উত্তেজনা থামেনি; সোমবার ভোররাতে পাকদী এলাকায় অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১৫টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন