খুলনার ডুমুরিয়ায় আটলিয়া ইউনিয়নের কাঠাল তলা আশ্রয় প্রকল্পের ঘর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের মাটি ফেলার কারণে ১৩ টি ঘরের দেয়াল ও জালানা ভেঙে গেছে ও ১০৫ টি ঘরে থাকা অসহায় অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ দিন রাত যাপন করছে।
খুলনার ডুমুরিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের মাটি ফেলার কারণে চরম ঝুঁকিতে পড়েছেন আটলিয়া ইউনিয়নের কাঁঠালতলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা।
মাটির চাপে এরই মধ্যে ১৩টি ঘরের দেয়াল ও জানালা ভেঙে গেছে। বর্তমানে ১০৫টি ঘরে থাকা অসহায় পরিবারগুলো যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে দিনরাত যাপন করছেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা কদবানু (৫৫), শরিফা বেগম (৫০) ও রহিমা বেগম (৬০) জানান, নদী খননের মাটি ঘরের ওপর এসে পড়ায় ১৩টি ঘর প্রায় চাপা পড়ে আছে। মাটির চাপে দেয়াল ও জানালায় ফাটল ধরে ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত এই মাটি সরানো না হলে ঘরের ভেতরেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন।
[caption id="attachment_24405" align="alignnone" width="300"]
ছবি: সজরবিডি.কম[/caption]
এ বিষয়ে আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, "আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করেও কোনো ফল পাইনি। পরে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর লবীকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বললে তিনি দ্রুত মাটি সরানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত মাটি সরানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।"
ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একটি মিটিং করা হয়েছে এবং একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে মাটি সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এই সংকটের বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের মন্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে (০১৩২২৮৭৫৫৩৪) একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়ায় আটলিয়া ইউনিয়নের কাঠাল তলা আশ্রয় প্রকল্পের ঘর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের মাটি ফেলার কারণে ১৩ টি ঘরের দেয়াল ও জালানা ভেঙে গেছে ও ১০৫ টি ঘরে থাকা অসহায় অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ দিন রাত যাপন করছে।
খুলনার ডুমুরিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের মাটি ফেলার কারণে চরম ঝুঁকিতে পড়েছেন আটলিয়া ইউনিয়নের কাঁঠালতলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা।
মাটির চাপে এরই মধ্যে ১৩টি ঘরের দেয়াল ও জানালা ভেঙে গেছে। বর্তমানে ১০৫টি ঘরে থাকা অসহায় পরিবারগুলো যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে দিনরাত যাপন করছেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা কদবানু (৫৫), শরিফা বেগম (৫০) ও রহিমা বেগম (৬০) জানান, নদী খননের মাটি ঘরের ওপর এসে পড়ায় ১৩টি ঘর প্রায় চাপা পড়ে আছে। মাটির চাপে দেয়াল ও জানালায় ফাটল ধরে ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত এই মাটি সরানো না হলে ঘরের ভেতরেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন।
[caption id="attachment_24405" align="alignnone" width="300"]
ছবি: সজরবিডি.কম[/caption]
এ বিষয়ে আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, "আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করেও কোনো ফল পাইনি। পরে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর লবীকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বললে তিনি দ্রুত মাটি সরানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত মাটি সরানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।"
ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একটি মিটিং করা হয়েছে এবং একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে মাটি সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এই সংকটের বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের মন্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে (০১৩২২৮৭৫৫৩৪) একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন