জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে আজ ফুটবল বিধাতা যেন ইতালির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। ১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার যে স্বপ্ন নিয়ে জেনিৎসায় পা রেখেছিল আজ্জুরিরা, তা শেষ পর্যন্ত ধূলিসাৎ হয়ে গেল পেনাল্টি শ্যুটআউটে।
জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে আজ রচিত হলো ফুটবল ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়। ১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার যে স্বপ্ন নিয়ে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ইতালি, তা শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শ্যুটআউটে ধূলিসাৎ হয়ে গেল। এর ফলে টানা তিনবার বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞে দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
ম্যাচের শুরুটা ইতালির জন্য ছিল দারুণ সম্ভাবনাময়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ১৫তম মিনিটে ময়েস কিনের গোলে লিড নেয় আজ্জুরিরা। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় বিরতির ঠিক আগে।
৪২ মিনিটে বসনিয়ার এডিন জেকোকে ডিবক্সের ঠিক বাইরে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইতালির অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার
একজন কম নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করলেও দ্বিতীয়ার্ধে বসনিয়ার প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়ে ইতালি। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মা বেশ কিছু দুর্দান্ত সেভ দিলেও ৮২ মিনিটে গোল হজম করতে হয় ইতালিকে।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোল করতে পারেনি।
পেনাল্টি শ্যুটআউটে ইতালির স্নায়ুর চাপ চরমে পৌঁছায়। বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ প্রথম শটেই গোল করলেও ইতালির হয়ে প্রথম শট মিস করেন পিও এস্পোসিতো। তৃতীয় শটে আবারও মিস করেন ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্টান্তে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে আজ ফুটবল বিধাতা যেন ইতালির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। ১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার যে স্বপ্ন নিয়ে জেনিৎসায় পা রেখেছিল আজ্জুরিরা, তা শেষ পর্যন্ত ধূলিসাৎ হয়ে গেল পেনাল্টি শ্যুটআউটে।
জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে আজ রচিত হলো ফুটবল ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়। ১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার যে স্বপ্ন নিয়ে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ইতালি, তা শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শ্যুটআউটে ধূলিসাৎ হয়ে গেল। এর ফলে টানা তিনবার বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞে দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
ম্যাচের শুরুটা ইতালির জন্য ছিল দারুণ সম্ভাবনাময়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ১৫তম মিনিটে ময়েস কিনের গোলে লিড নেয় আজ্জুরিরা। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় বিরতির ঠিক আগে।
৪২ মিনিটে বসনিয়ার এডিন জেকোকে ডিবক্সের ঠিক বাইরে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইতালির অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার
একজন কম নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করলেও দ্বিতীয়ার্ধে বসনিয়ার প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়ে ইতালি। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মা বেশ কিছু দুর্দান্ত সেভ দিলেও ৮২ মিনিটে গোল হজম করতে হয় ইতালিকে।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোল করতে পারেনি।
পেনাল্টি শ্যুটআউটে ইতালির স্নায়ুর চাপ চরমে পৌঁছায়। বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ প্রথম শটেই গোল করলেও ইতালির হয়ে প্রথম শট মিস করেন পিও এস্পোসিতো। তৃতীয় শটে আবারও মিস করেন ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্টান্তে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা।

আপনার মতামত লিখুন