মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর লিমা খাতুন (২৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর লিমা খাতুন (২৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্বামী সুজন শেখকে আটক করা হয়েছে।
আটক সুজন শেখ ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার হাট গোপালপুর গ্রামের তিওড়দাহ কলোনীর মরজেন মিয়ার ছেলে। সাত বছর আগে শ্রীপুর উপজেলার বড় উদাস গ্রামের হাই জোয়ার্দারের মেয়ে লিমার সাথে তার বিয়ে হয়েছিল।
গত সোমবার (৩০ মার্চ) লিমা তার শাশুড়িকে নিয়ে বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বড় উদাস গ্রামের একটি ঘাসের জমি থেকে স্থানীয়রা লিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ও পিবিআই স্বামী সুজন শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।
মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সুজন শেখ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে লিমাকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেন এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর লিমা খাতুন (২৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর লিমা খাতুন (২৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্বামী সুজন শেখকে আটক করা হয়েছে।
আটক সুজন শেখ ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার হাট গোপালপুর গ্রামের তিওড়দাহ কলোনীর মরজেন মিয়ার ছেলে। সাত বছর আগে শ্রীপুর উপজেলার বড় উদাস গ্রামের হাই জোয়ার্দারের মেয়ে লিমার সাথে তার বিয়ে হয়েছিল।
গত সোমবার (৩০ মার্চ) লিমা তার শাশুড়িকে নিয়ে বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বড় উদাস গ্রামের একটি ঘাসের জমি থেকে স্থানীয়রা লিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ও পিবিআই স্বামী সুজন শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।
মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সুজন শেখ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে লিমাকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেন এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন