জামালপুর জেলা প্রশাসন ও জামালপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে ট্যাগ অফিয়ার। যার ফলে ধান চাষাবাদ নিয়ে দু:চিন্তা বাদ দিয়েছেন কৃষকেরা।
জামালপুরে বোরো চাষীদের সেচের জন্য জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরাসরি পাম্প থেকেই সংগ্রহ করতে পারছেন কৃষকরা। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে 'ট্যাগ অফিসার' নিয়োগ দেওয়ায় দূর হয়েছে দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা।
ডিজেল চালিত সেচ পাম্পের পর্যাপ্ত পানিতে এখন হেসে উঠেছে ধান, ভুট্টা ও সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের খেত। এতে খুশি জামালপুরের চরচন্দ্রা মৌজার হাটচন্দ্রা এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক প্রান্তিক কৃষক।
[caption id="attachment_24603" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
সম্প্রতি এই এলাকার সেচ সমস্যা নিয়ে একটি সংবাদ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের নজরে আসলে তিনি তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশ দেন। এরপরই সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল হকের নেতৃত্বে পাম্প মালিকদের সাথে সমন্বয় করে চাহিদামতো ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এলাকায় পানির কোনো সংকট নেই। মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ। সেচপাম্প মালিক বজলু শেখ জানান, কৃষি অফিসের নিয়মিত তদারকিতে এখন তেলের কোনো অভাব নেই। কৃষক খোকন ও ইয়ামিন জানান, আগে ডিজেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দিতে হতো, এখন পাম্প থেকেই সরাসরি তেল পাওয়ায় তারা স্বস্তিতে আছেন।
জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল ইসলাম বলেন, "মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনায় আমরা তৎপর রয়েছি। সাধারণত খোলা বাজারে খুচরা সংকটের কারণে কৃষকরা হয়রানির শিকার হতেন। সেটি রোধে আমরা উপ-সহকারী কৃষি অফিসারদের 'ট্যাগ অফিসার' হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি যাতে কৃষকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাম্প থেকে তেল পান। এই তদারকি অব্যাহত থাকবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুর জেলা প্রশাসন ও জামালপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে ট্যাগ অফিয়ার। যার ফলে ধান চাষাবাদ নিয়ে দু:চিন্তা বাদ দিয়েছেন কৃষকেরা।
জামালপুরে বোরো চাষীদের সেচের জন্য জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরাসরি পাম্প থেকেই সংগ্রহ করতে পারছেন কৃষকরা। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে 'ট্যাগ অফিসার' নিয়োগ দেওয়ায় দূর হয়েছে দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা।
ডিজেল চালিত সেচ পাম্পের পর্যাপ্ত পানিতে এখন হেসে উঠেছে ধান, ভুট্টা ও সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের খেত। এতে খুশি জামালপুরের চরচন্দ্রা মৌজার হাটচন্দ্রা এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক প্রান্তিক কৃষক।
[caption id="attachment_24603" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
সম্প্রতি এই এলাকার সেচ সমস্যা নিয়ে একটি সংবাদ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের নজরে আসলে তিনি তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশ দেন। এরপরই সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল হকের নেতৃত্বে পাম্প মালিকদের সাথে সমন্বয় করে চাহিদামতো ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এলাকায় পানির কোনো সংকট নেই। মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ। সেচপাম্প মালিক বজলু শেখ জানান, কৃষি অফিসের নিয়মিত তদারকিতে এখন তেলের কোনো অভাব নেই। কৃষক খোকন ও ইয়ামিন জানান, আগে ডিজেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দিতে হতো, এখন পাম্প থেকেই সরাসরি তেল পাওয়ায় তারা স্বস্তিতে আছেন।
জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল ইসলাম বলেন, "মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনায় আমরা তৎপর রয়েছি। সাধারণত খোলা বাজারে খুচরা সংকটের কারণে কৃষকরা হয়রানির শিকার হতেন। সেটি রোধে আমরা উপ-সহকারী কৃষি অফিসারদের 'ট্যাগ অফিসার' হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি যাতে কৃষকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাম্প থেকে তেল পান। এই তদারকি অব্যাহত থাকবে।"

আপনার মতামত লিখুন