জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পাম্পভিত্তিক ডিজেল সরবরাহ এবং ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের কারণে কৃষকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। এতে করে ধান, ভুট্টা ও বিভিন্ন সবজির আবাদে সেচ নিশ্চিত হওয়ায় মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ দেখা যাচ্ছে।
জামালপুর সদর উপজেলার চরচন্দ্রা মৌজার হাটচন্দ্রা এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সেচের পানির কোনো সংকট নেই। ডিজেলচালিত পাম্পগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক উপকৃত হচ্ছেন এবং ভালো ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি কৃষকদের সমস্যার বিষয়টি কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের নজরে এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর উপজেলা কৃষি অফিসারের নেতৃত্বে সেচপাম্প মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
সেচপাম্প মালিক বজলু শেখ বলেন, “বর্তমানে ডিজেলের কোনো সমস্যা নেই। উপজেলা কৃষি অফিস নিয়মিত তদারকি করছে। আমরা সব কৃষকের জমিতে পর্যাপ্ত পানি দিতে পারছি।”
স্থানীয় কৃষক খোকন বলেন, “আগে ডিজেলের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হতো, এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। বোরো মৌসুমে অন্য এলাকার মতো আমাদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই।”
এলাকার কৃষক ইয়ামিন, হেলাল, মোজাম্মেল, মামুন ও বেলালসহ অনেকে জানান, ডিজেলচালিত সেচপাম্পের মাধ্যমে তারা সহজেই ধান ছাড়াও পাট ও শাকসবজির জমিতে সেচ দিতে পারছেন।
জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল ইসলাম জানান, “কৃষকদের সমস্যা সমাধানে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। সেচপাম্পে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে কৃষকরা নির্বিঘ্নে সেচ দিতে পারছেন। ভবিষ্যতেও যাতে কোনো সংকট না হয়, সে বিষয়ে আমরা তৎপর রয়েছি।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পাম্পভিত্তিক ডিজেল সরবরাহ এবং ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের কারণে কৃষকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। এতে করে ধান, ভুট্টা ও বিভিন্ন সবজির আবাদে সেচ নিশ্চিত হওয়ায় মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ দেখা যাচ্ছে।
জামালপুর সদর উপজেলার চরচন্দ্রা মৌজার হাটচন্দ্রা এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সেচের পানির কোনো সংকট নেই। ডিজেলচালিত পাম্পগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক উপকৃত হচ্ছেন এবং ভালো ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি কৃষকদের সমস্যার বিষয়টি কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের নজরে এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর উপজেলা কৃষি অফিসারের নেতৃত্বে সেচপাম্প মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
সেচপাম্প মালিক বজলু শেখ বলেন, “বর্তমানে ডিজেলের কোনো সমস্যা নেই। উপজেলা কৃষি অফিস নিয়মিত তদারকি করছে। আমরা সব কৃষকের জমিতে পর্যাপ্ত পানি দিতে পারছি।”
স্থানীয় কৃষক খোকন বলেন, “আগে ডিজেলের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হতো, এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। বোরো মৌসুমে অন্য এলাকার মতো আমাদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই।”
এলাকার কৃষক ইয়ামিন, হেলাল, মোজাম্মেল, মামুন ও বেলালসহ অনেকে জানান, ডিজেলচালিত সেচপাম্পের মাধ্যমে তারা সহজেই ধান ছাড়াও পাট ও শাকসবজির জমিতে সেচ দিতে পারছেন।
জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল ইসলাম জানান, “কৃষকদের সমস্যা সমাধানে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। সেচপাম্পে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে কৃষকরা নির্বিঘ্নে সেচ দিতে পারছেন। ভবিষ্যতেও যাতে কোনো সংকট না হয়, সে বিষয়ে আমরা তৎপর রয়েছি।”

আপনার মতামত লিখুন