যশোরের চৌগাছা উপজেলার আন্দুলিয়া বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে একটি এয়ার গান ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে।
যশোরের চৌগাছা উপজেলার আন্দুলিয়া বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি এয়ার গান ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আন্দুলিয়া গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি এয়ার গান এবং ২৪ বোতল আস্কুফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়, যা বর্তমানে ফেন্সিডিলের বিকল্প মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হলেও বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত মাদক ও এয়ার গান পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে। স্থানীয়রা জানান, নিয়মিত এ ধরনের অভিযানের ফলে সীমান্ত এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমে আসবে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
যশোরের চৌগাছা উপজেলার আন্দুলিয়া বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে একটি এয়ার গান ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে।
যশোরের চৌগাছা উপজেলার আন্দুলিয়া বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি এয়ার গান ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আন্দুলিয়া গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি এয়ার গান এবং ২৪ বোতল আস্কুফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়, যা বর্তমানে ফেন্সিডিলের বিকল্প মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হলেও বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত মাদক ও এয়ার গান পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে। স্থানীয়রা জানান, নিয়মিত এ ধরনের অভিযানের ফলে সীমান্ত এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমে আসবে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরবে।

আপনার মতামত লিখুন