ফরিদপুরের নগরকান্দায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উপজেলার পুড়াপাড়া ইউনিয়নের গোয়ালদী গ্রামে পাঁচ দফায় এই সংঘর্ষ চলে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন এবং ১৩টি বাড়িতে ভাঙচুরসহ একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালদী গ্রামের মোল্লা গ্রুপ (নেতৃত্বে মশিউর ও জিয়া মোল্লা) এবং তালুকদার গ্রুপের (নেতৃত্বে সলেমান ও রবি তালুকদার) মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।
ওষুধ কিনতে গিয়ে তুচ্ছ ঘটনায় মোল্লা গ্রুপের সাইফুলের হাতে মারধরের শিকার হন তালুকদার গ্রুপের ইসমাইল। এর প্রতিশোধ নিতে ইসমাইল ও তার লোকজন সাইফুল মোল্লাকে মারধর করে। গত কয়েকদিনের উত্তেজনার জেরে শনিবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন গ্রামটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সহিংসতায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নিম্নরূপ:
ঘটনার সময় এলাকায় সাতজন পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি সামলাতে তারা হিমশিম খান। পরে ফরিদপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
"শুরুতে কম পুলিশ থাকায় পরিস্থিতি সামলাতে বেগ পেতে হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে লাঠিপেটা করার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।"
— মাহমুদুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল)
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের নগরকান্দায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উপজেলার পুড়াপাড়া ইউনিয়নের গোয়ালদী গ্রামে পাঁচ দফায় এই সংঘর্ষ চলে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন এবং ১৩টি বাড়িতে ভাঙচুরসহ একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালদী গ্রামের মোল্লা গ্রুপ (নেতৃত্বে মশিউর ও জিয়া মোল্লা) এবং তালুকদার গ্রুপের (নেতৃত্বে সলেমান ও রবি তালুকদার) মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।
ওষুধ কিনতে গিয়ে তুচ্ছ ঘটনায় মোল্লা গ্রুপের সাইফুলের হাতে মারধরের শিকার হন তালুকদার গ্রুপের ইসমাইল। এর প্রতিশোধ নিতে ইসমাইল ও তার লোকজন সাইফুল মোল্লাকে মারধর করে। গত কয়েকদিনের উত্তেজনার জেরে শনিবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন গ্রামটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সহিংসতায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নিম্নরূপ:
ঘটনার সময় এলাকায় সাতজন পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি সামলাতে তারা হিমশিম খান। পরে ফরিদপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
"শুরুতে কম পুলিশ থাকায় পরিস্থিতি সামলাতে বেগ পেতে হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে লাঠিপেটা করার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।"
— মাহমুদুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল)
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন