কুমিল্লায় অর্পিতা নওশিন নামের এক মেডিকেল শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যার পেছনে এক শিক্ষকের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তার সহপাঠি এবং পরিবার।
কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্পিতা নওশিন (২১) অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে কলেজের মহিলা হোস্টেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অর্পিতার পরিবার ও সহপাঠীদের অভিযোগ, কলেজের এনাটমি বিভাগের এক শিক্ষিকার ক্রমাগত মানসিক নির্যাতনের কারণেই তিনি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন।
নিহত অর্পিতা নওশিন খুলনা সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, এনাটমি বিভাগের শিক্ষক ডা. মুনিরা জহিরের রোষানলে পড়ে তিনি গত তিন বছরে চারবার পরীক্ষা দিলেও একই বিষয়ে অকৃতকার্য হচ্ছিলেন। যেখানে তার সহপাঠীরা বর্তমানে পঞ্চম বর্ষে পড়ছেন, সেখানে অর্পিতাকে জুনিয়রদের সঙ্গে প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষার ক্লাসে অংশ নিতে হচ্ছিল।
অর্পিতার ভাই শাহরিয়ার আরমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার বোন সব বিষয়ে পাস করলেও শুধু এনাটমিতে তাকে আটকে রাখা হতো। মুনিরা ম্যাডাম তাকে প্রথম বর্ষ থেকেই মানসিক নিপীড়ন করে আসছিলেন। এটি আত্মহত্যা নয়, এটি একটি মার্ডার। আমি ওই শিক্ষকের বিচার চাই।"
এদিকে, কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনো শিক্ষকের গাফিলতি বা দোষ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. মুনিরা জহিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লায় অর্পিতা নওশিন নামের এক মেডিকেল শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যার পেছনে এক শিক্ষকের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তার সহপাঠি এবং পরিবার।
কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্পিতা নওশিন (২১) অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে কলেজের মহিলা হোস্টেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অর্পিতার পরিবার ও সহপাঠীদের অভিযোগ, কলেজের এনাটমি বিভাগের এক শিক্ষিকার ক্রমাগত মানসিক নির্যাতনের কারণেই তিনি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন।
নিহত অর্পিতা নওশিন খুলনা সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, এনাটমি বিভাগের শিক্ষক ডা. মুনিরা জহিরের রোষানলে পড়ে তিনি গত তিন বছরে চারবার পরীক্ষা দিলেও একই বিষয়ে অকৃতকার্য হচ্ছিলেন। যেখানে তার সহপাঠীরা বর্তমানে পঞ্চম বর্ষে পড়ছেন, সেখানে অর্পিতাকে জুনিয়রদের সঙ্গে প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষার ক্লাসে অংশ নিতে হচ্ছিল।
অর্পিতার ভাই শাহরিয়ার আরমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার বোন সব বিষয়ে পাস করলেও শুধু এনাটমিতে তাকে আটকে রাখা হতো। মুনিরা ম্যাডাম তাকে প্রথম বর্ষ থেকেই মানসিক নিপীড়ন করে আসছিলেন। এটি আত্মহত্যা নয়, এটি একটি মার্ডার। আমি ওই শিক্ষকের বিচার চাই।"
এদিকে, কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনো শিক্ষকের গাফিলতি বা দোষ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. মুনিরা জহিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন