সহকারী কমিশনার ও এক্সেকিউটিভে ম্যাজিস্ট্রেট দীপেন সাধক রনি জানান গতকাল শনিবার খুলনা সদর এলাকার অন্তর্গত বিভিন্ন এলপি গ্যাস বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
খুলনায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করার অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল শনিবার নগরীর সদর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দীপেন সাধক রনির নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে সাথে ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ওয়ালিদ বিন হাবিব।
অভিযান চলাকালে নগরীর কমার্স কলেজ মোড় এলাকার 'মেসার্স আছাদ স্টোর'-এ গিয়ে দেখা যায়, সেখানে সরকার নির্ধারিত রেটের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে।
জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানের মালিক নিজের দোষ স্বীকার করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারা মোতাবেক তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করাসহ সংশ্লিষ্ট অনিয়মের কারণে 'মেসার্স আনাম এন্টারপ্রাইজ' নামক অপর একটি প্রতিষ্ঠানকে আইনের ৩৮ ধারা মোতাবেক ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট দীপেন সাধক রনি জানান, জনস্বার্থে এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
সহকারী কমিশনার ও এক্সেকিউটিভে ম্যাজিস্ট্রেট দীপেন সাধক রনি জানান গতকাল শনিবার খুলনা সদর এলাকার অন্তর্গত বিভিন্ন এলপি গ্যাস বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
খুলনায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করার অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল শনিবার নগরীর সদর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দীপেন সাধক রনির নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে সাথে ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ওয়ালিদ বিন হাবিব।
অভিযান চলাকালে নগরীর কমার্স কলেজ মোড় এলাকার 'মেসার্স আছাদ স্টোর'-এ গিয়ে দেখা যায়, সেখানে সরকার নির্ধারিত রেটের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে।
জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানের মালিক নিজের দোষ স্বীকার করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারা মোতাবেক তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করাসহ সংশ্লিষ্ট অনিয়মের কারণে 'মেসার্স আনাম এন্টারপ্রাইজ' নামক অপর একটি প্রতিষ্ঠানকে আইনের ৩৮ ধারা মোতাবেক ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট দীপেন সাধক রনি জানান, জনস্বার্থে এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন