রাজশাহী মহানগরীর কুমারপাড়ায় অবস্থিত মহানগর আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত ও ভাঙা দলীয় কার্যালয়ের জায়গায় সাইনবোর্ড টানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে জায়গাটিকে ‘অর্পিত সম্পত্তি’ উল্লেখ করে এই সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের টানানো সাইনবোর্ডে জায়গাটিকে ‘ক’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি (ভেস্টেড অ্যান্ড নন-রেসিডেন্ট প্রপার্টি) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষে সম্পত্তিটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও কালেক্টর। তফসিল অনুযায়ী, বোয়ালিয়া থানার রামপুর মৌজার ২৮১ নম্বর দাগের এই জমির পরিমাণ ০.৪৯৫৬ একর।
এর আগে ওই জায়গার মালিকানা দাবি করে ডা. দুর্জয় মৈত্র নামের এক ব্যক্তি সাইনবোর্ড টানিয়েছিলেন। তার মা অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্যের দাবি, আদালতের রায় অনুযায়ী তার প্রবাসী ছেলে এই জমির মালিক।
তবে বোয়ালিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন জানান, ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে দেশত্যাগীদের ফেলে যাওয়া এই জমি ২০১২ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। বর্তমানে এটি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো ব্যক্তি মালিকানা দাবি করতে চাইলে তাকে অবশ্যই আদালতের উপযুক্ত রায় নিয়ে আসতে হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহী মহানগরীর কুমারপাড়ায় অবস্থিত মহানগর আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত ও ভাঙা দলীয় কার্যালয়ের জায়গায় সাইনবোর্ড টানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে জায়গাটিকে ‘অর্পিত সম্পত্তি’ উল্লেখ করে এই সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের টানানো সাইনবোর্ডে জায়গাটিকে ‘ক’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি (ভেস্টেড অ্যান্ড নন-রেসিডেন্ট প্রপার্টি) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষে সম্পত্তিটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও কালেক্টর। তফসিল অনুযায়ী, বোয়ালিয়া থানার রামপুর মৌজার ২৮১ নম্বর দাগের এই জমির পরিমাণ ০.৪৯৫৬ একর।
এর আগে ওই জায়গার মালিকানা দাবি করে ডা. দুর্জয় মৈত্র নামের এক ব্যক্তি সাইনবোর্ড টানিয়েছিলেন। তার মা অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্যের দাবি, আদালতের রায় অনুযায়ী তার প্রবাসী ছেলে এই জমির মালিক।
তবে বোয়ালিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন জানান, ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে দেশত্যাগীদের ফেলে যাওয়া এই জমি ২০১২ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। বর্তমানে এটি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো ব্যক্তি মালিকানা দাবি করতে চাইলে তাকে অবশ্যই আদালতের উপযুক্ত রায় নিয়ে আসতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন