পরিবেশবান্ধব এই পদ্ধতিতে পোকা দমনের লক্ষ্যে উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের মানিকতলা মাঠে সম্প্রতি এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ফসলের ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘আলোক ফাঁদ’। পরিবেশবান্ধব এই পদ্ধতিতে পোকা দমনের লক্ষ্যে উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের মানিকতলা মাঠে সম্প্রতি এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।
বুধবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় টিপনা শেখ আমজাদ হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে স্থাপিত এই আলোক ফাঁদে কোনো ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এটি কৃষকদের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
আলোক ফাঁদ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন এস.এ.পি.পি.ও আলী হাসান, সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নূরুন নাহার, কৃষক নূরুল ইসলাম বিশ্বাস, নাসির উদ্দিন গাজী, মোফাজ্জেল গাজী, রেজাউল হালদার, সালাম গাজী, ফহরাদ হোসেন সরদার, আবুল কালাম, রবিউল ইসলাম গাজীসহ এটিআই শিক্ষার্থী ও স্থানীয় কৃষক
বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোক ফাঁদ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার (আইপিএম) একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। উজ্জ্বল আলোতে আকৃষ্ট হয়ে ধানের মাজরা পোকার মথ, বাদামি গাছফড়িং, শিষকাটা লেদা পোকা, সবুজ পাতাফড়িং, গান্ধিপোকা ও ফল ছিদ্রকারী পোকার মতো ক্ষতিকর পতঙ্গ এই ফাঁদে পড়ে মারা যায়।
এতে একদিকে যেমন ফসলের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়, অন্যদিকে উপকারী পোকা সংরক্ষিত থাকে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে।
সাধারণত বৈদ্যুতিক বাল্ব, বাঁশের খুঁটি, প্লাস্টিকের গামলা, ডিটারজেন্ট পাউডার মিশ্রিত পানি বা সামান্য কেরোসিন ব্যবহার করে এই ফাঁদ তৈরি করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত সৌরশক্তি চালিত আধুনিক আলোক ফাঁদও বর্তমানে সাশ্রয়ী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান আমাদের প্রতিটি ব্লকে নিয়মিতভাবে আলোক ফাঁদ স্থাপন কার্যক্রম চলছে।
এর মাধ্যমে কৃষকরা জমিতে পোকার উপস্থিতি বুঝতে পারেন এবং অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকেন। ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হন।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
পরিবেশবান্ধব এই পদ্ধতিতে পোকা দমনের লক্ষ্যে উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের মানিকতলা মাঠে সম্প্রতি এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ফসলের ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘আলোক ফাঁদ’। পরিবেশবান্ধব এই পদ্ধতিতে পোকা দমনের লক্ষ্যে উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের মানিকতলা মাঠে সম্প্রতি এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।
বুধবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় টিপনা শেখ আমজাদ হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে স্থাপিত এই আলোক ফাঁদে কোনো ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এটি কৃষকদের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
আলোক ফাঁদ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন এস.এ.পি.পি.ও আলী হাসান, সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নূরুন নাহার, কৃষক নূরুল ইসলাম বিশ্বাস, নাসির উদ্দিন গাজী, মোফাজ্জেল গাজী, রেজাউল হালদার, সালাম গাজী, ফহরাদ হোসেন সরদার, আবুল কালাম, রবিউল ইসলাম গাজীসহ এটিআই শিক্ষার্থী ও স্থানীয় কৃষক
বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোক ফাঁদ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার (আইপিএম) একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। উজ্জ্বল আলোতে আকৃষ্ট হয়ে ধানের মাজরা পোকার মথ, বাদামি গাছফড়িং, শিষকাটা লেদা পোকা, সবুজ পাতাফড়িং, গান্ধিপোকা ও ফল ছিদ্রকারী পোকার মতো ক্ষতিকর পতঙ্গ এই ফাঁদে পড়ে মারা যায়।
এতে একদিকে যেমন ফসলের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়, অন্যদিকে উপকারী পোকা সংরক্ষিত থাকে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে।
সাধারণত বৈদ্যুতিক বাল্ব, বাঁশের খুঁটি, প্লাস্টিকের গামলা, ডিটারজেন্ট পাউডার মিশ্রিত পানি বা সামান্য কেরোসিন ব্যবহার করে এই ফাঁদ তৈরি করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত সৌরশক্তি চালিত আধুনিক আলোক ফাঁদও বর্তমানে সাশ্রয়ী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান আমাদের প্রতিটি ব্লকে নিয়মিতভাবে আলোক ফাঁদ স্থাপন কার্যক্রম চলছে।
এর মাধ্যমে কৃষকরা জমিতে পোকার উপস্থিতি বুঝতে পারেন এবং অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকেন। ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হন।”

আপনার মতামত লিখুন