ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি থাকা ৪৫ বছরের এক অসুস্থ নারীকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. আরিফ (৩৫) নামে প্রাইভেট ক্লিনিকের এক কর্মীর বিরুদ্ধে।
ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪৫ বছর বয়সী এক নারীকে ডাক্তার দেখানোর নাম করে নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মো. আরিফ (৩৫) নামে এক বেসরকারি ক্লিনিক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলার একটি পরিত্যক্ত কক্ষে এই পাশবিক ঘটনা ঘটে।
আটক আরিফ লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার গ্রামের বাসিন্দা এবং হাসপাতাল সংলগ্ন 'এপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে'র এসআর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী পারিবারিক কলহের জেরে আহত হয়ে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের পুরাতন ভবনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার সাথে পরিবারের কোনো সদস্য ছিল না। মঙ্গলবার সকালে তিনি পানি খাওয়ার জন্য ওয়ার্ডের বাইরে এলে আরিফ তাকে ভালো ডাক্তার দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে নতুন ভবনের ৩য় তলায় নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগী নারী সেখান থেকে পালিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হাসপাতালের স্টাফরা আরিফকে হাতেনাতে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অভিযুক্তকে আটকে সহযোগিতা করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ও আলামত সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান "ধর্ষণের সংবাদ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে আটক করেছি। ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন এবং এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান আছে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি থাকা ৪৫ বছরের এক অসুস্থ নারীকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. আরিফ (৩৫) নামে প্রাইভেট ক্লিনিকের এক কর্মীর বিরুদ্ধে।
ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪৫ বছর বয়সী এক নারীকে ডাক্তার দেখানোর নাম করে নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মো. আরিফ (৩৫) নামে এক বেসরকারি ক্লিনিক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলার একটি পরিত্যক্ত কক্ষে এই পাশবিক ঘটনা ঘটে।
আটক আরিফ লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার গ্রামের বাসিন্দা এবং হাসপাতাল সংলগ্ন 'এপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে'র এসআর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী পারিবারিক কলহের জেরে আহত হয়ে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের পুরাতন ভবনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার সাথে পরিবারের কোনো সদস্য ছিল না। মঙ্গলবার সকালে তিনি পানি খাওয়ার জন্য ওয়ার্ডের বাইরে এলে আরিফ তাকে ভালো ডাক্তার দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে নতুন ভবনের ৩য় তলায় নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগী নারী সেখান থেকে পালিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হাসপাতালের স্টাফরা আরিফকে হাতেনাতে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অভিযুক্তকে আটকে সহযোগিতা করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ও আলামত সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান "ধর্ষণের সংবাদ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে আটক করেছি। ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন এবং এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান আছে।"

আপনার মতামত লিখুন