মাদক, সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত ও যুবকদের কর্মসংস্থান যুক্ত জামালপুর পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
আসন্ন জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শহরে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।
বিশেষ করে জামালপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও তরুণ সমাজসেবক শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ-এর নাম এখন শহরবাসীর মুখে মুখে। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত জামালপুর গড়ার পাশাপাশি যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তিনি।
দীর্ঘ ১৩৫ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী পৌরসভাটি বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ও প্রথম সারির পৌরসভা। ১২টি ওয়ার্ড ও ৪১টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে গঠিত এই জনপদে শাহ মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা এবং অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অনেক আগেই সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ভোটারদের বিশ্বাস, তিনি নির্বাচিত হলে তার মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে একটি আধুনিক 'ডিজিটাল পৌরসভা' উপহার দেবেন।
রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রদলের মাধ্যমে হাতেখড়ি নেওয়া শাহ মাসুদ তৃণমূল বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে পরিচিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি ৫৩টি মামলার শিকার হয়েছেন এবং অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন। দলের নেতাকর্মীদের মামলার খরচ মেটাতে তাকে নিজের জমি পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। ৫ই আগস্টের আগ পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে তার সক্রিয় ভূমিকা দলের ভেতরেও তাকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।
মেয়র প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন "আমাদের নেতা তারেক রহমান যেভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চান, আমরাও সেভাবে জামালপুর পৌরসভাকে একটি মডেল ও আধুনিক পৌরসভায় পরিণত করতে চাই। ১২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।"
উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যেকোনো উল্লেখযোগ্য পৌরসভার সাথে পাল্লা দিয়ে জামালপুরের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। দল থেকে মনোনয়ন পেলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এই নেতা বর্তমানে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনি উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
মাদক, সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত ও যুবকদের কর্মসংস্থান যুক্ত জামালপুর পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
আসন্ন জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শহরে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।
বিশেষ করে জামালপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও তরুণ সমাজসেবক শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ-এর নাম এখন শহরবাসীর মুখে মুখে। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত জামালপুর গড়ার পাশাপাশি যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তিনি।
দীর্ঘ ১৩৫ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী পৌরসভাটি বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ও প্রথম সারির পৌরসভা। ১২টি ওয়ার্ড ও ৪১টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে গঠিত এই জনপদে শাহ মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা এবং অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অনেক আগেই সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ভোটারদের বিশ্বাস, তিনি নির্বাচিত হলে তার মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে একটি আধুনিক 'ডিজিটাল পৌরসভা' উপহার দেবেন।
রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রদলের মাধ্যমে হাতেখড়ি নেওয়া শাহ মাসুদ তৃণমূল বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে পরিচিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি ৫৩টি মামলার শিকার হয়েছেন এবং অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন। দলের নেতাকর্মীদের মামলার খরচ মেটাতে তাকে নিজের জমি পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। ৫ই আগস্টের আগ পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে তার সক্রিয় ভূমিকা দলের ভেতরেও তাকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।
মেয়র প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন "আমাদের নেতা তারেক রহমান যেভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চান, আমরাও সেভাবে জামালপুর পৌরসভাকে একটি মডেল ও আধুনিক পৌরসভায় পরিণত করতে চাই। ১২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।"
উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যেকোনো উল্লেখযোগ্য পৌরসভার সাথে পাল্লা দিয়ে জামালপুরের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। দল থেকে মনোনয়ন পেলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এই নেতা বর্তমানে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনি উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন