ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪৩ বছর বয়সী এক বিধবা নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪৩ বছর বয়সী এক বিধবা নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী ফরিদপুর পৌরসভার বাসিন্দা এবং পেশায় গৃহকর্মী। প্রতিবেশী সুজন শেখ (৩৫) তাকে সরকারি ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করেন। পরে কৌশলে শহরের গোয়ালচামট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধ*র্ষণ করা হয়।
ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী নারী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস) সেন্টারে চারদিন চিকিৎসা নেন। হাসপাতালের ছাড়পত্রেও যৌন নির্যাতনের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। চিকিৎসা শেষে গত ৬ এপ্রিল বাড়ি ফিরে তিনি মঙ্গলবার থানায় মামলা করেন।
অভিযুক্ত সুজন শেখ শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার মৃত হালিম শেখের ছেলে। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে তার সখ্যতা রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তিনি ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, কার্ড সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ওই নারীর সাথে তার কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়েছিল, কিন্তু কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত সুজন শেখকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪৩ বছর বয়সী এক বিধবা নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪৩ বছর বয়সী এক বিধবা নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী ফরিদপুর পৌরসভার বাসিন্দা এবং পেশায় গৃহকর্মী। প্রতিবেশী সুজন শেখ (৩৫) তাকে সরকারি ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করেন। পরে কৌশলে শহরের গোয়ালচামট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধ*র্ষণ করা হয়।
ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী নারী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস) সেন্টারে চারদিন চিকিৎসা নেন। হাসপাতালের ছাড়পত্রেও যৌন নির্যাতনের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। চিকিৎসা শেষে গত ৬ এপ্রিল বাড়ি ফিরে তিনি মঙ্গলবার থানায় মামলা করেন।
অভিযুক্ত সুজন শেখ শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার মৃত হালিম শেখের ছেলে। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে তার সখ্যতা রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তিনি ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, কার্ড সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ওই নারীর সাথে তার কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়েছিল, কিন্তু কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত সুজন শেখকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন