কিস্তিতে ৫০০০০ টাকার লোন নিয়ে টাকা দিতে না পারায় ধীরে ধীরে সেই কিস্তি ওয়ালার প্রেমে পড়ে যান সীমা আক্তার। টাকা পরিশোধ না করার শর্তে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ময়মনসিংহের গাঙ্গিনাপাড় এলাকায় কিস্তিতে নেওয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে এক কিস্তি আদায়কারীর (কালেক্টর) সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর প্রতারণার শিকার হয়েছেন সীমা আক্তার নামে এক নারী।
বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের পর ওই ব্যক্তি কর্মস্থল পরিবর্তন করে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী সীমা আক্তার জানান, তিনি একটি এনজিও বা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাওয়ার এক পর্যায়ে কিস্তি আদায়কারীর সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হবে না—এমন শর্তে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। এক পর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তারা বিভিন্ন সময় ঘনিষ্ঠ হন।
সীমা আক্তার অভিযোগ করেন, শপিং করে দেওয়ার নাম করে তাকে গাঙ্গিনাপাড় এলাকার একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেও বিয়ের কথা বলে তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। এরপর থেকে নিয়মিত বিভিন্ন স্থানে তাদের দেখা-সাক্ষাৎ ও মেলামেশা চলত।
হঠাৎ করেই ওই কিস্তিওয়ালার পোস্টিং অন্যত্র হয়ে গেলে তিনি সীমা আক্তারের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেন এবং বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। নিরুপায় হয়ে সীমা আক্তার সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হন এবং তাদের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সীমা আক্তার বলেন, "আমার স্বামী না থাকায় তার মিষ্টি কথায় এবং মিথ্যা প্রলোভনে আমি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। সে আমার সব কেড়ে নিয়ে এখন পালিয়ে গেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"
একজন নারীকে বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। স্থানীয় সচেতন মহল এবং ভুক্তভোগী পরিবার এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
কিস্তিতে ৫০০০০ টাকার লোন নিয়ে টাকা দিতে না পারায় ধীরে ধীরে সেই কিস্তি ওয়ালার প্রেমে পড়ে যান সীমা আক্তার। টাকা পরিশোধ না করার শর্তে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ময়মনসিংহের গাঙ্গিনাপাড় এলাকায় কিস্তিতে নেওয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে এক কিস্তি আদায়কারীর (কালেক্টর) সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর প্রতারণার শিকার হয়েছেন সীমা আক্তার নামে এক নারী।
বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের পর ওই ব্যক্তি কর্মস্থল পরিবর্তন করে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী সীমা আক্তার জানান, তিনি একটি এনজিও বা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাওয়ার এক পর্যায়ে কিস্তি আদায়কারীর সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হবে না—এমন শর্তে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। এক পর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তারা বিভিন্ন সময় ঘনিষ্ঠ হন।
সীমা আক্তার অভিযোগ করেন, শপিং করে দেওয়ার নাম করে তাকে গাঙ্গিনাপাড় এলাকার একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেও বিয়ের কথা বলে তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। এরপর থেকে নিয়মিত বিভিন্ন স্থানে তাদের দেখা-সাক্ষাৎ ও মেলামেশা চলত।
হঠাৎ করেই ওই কিস্তিওয়ালার পোস্টিং অন্যত্র হয়ে গেলে তিনি সীমা আক্তারের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেন এবং বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। নিরুপায় হয়ে সীমা আক্তার সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হন এবং তাদের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সীমা আক্তার বলেন, "আমার স্বামী না থাকায় তার মিষ্টি কথায় এবং মিথ্যা প্রলোভনে আমি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। সে আমার সব কেড়ে নিয়ে এখন পালিয়ে গেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"
একজন নারীকে বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। স্থানীয় সচেতন মহল এবং ভুক্তভোগী পরিবার এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন