গাজীপুর সদরের পিরুজালী গ্রামে মধ্যরাতে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে শাশুড়িকে হত্যার ঘটনায় পুত্রবধূসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামে মধ্যরাতে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে শাশুড়িকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে জয়দেবপুর থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো আরিফা আক্তার (২৬) নিহত আছমা আক্তারের পুত্রবধূ।উজ্জ্বল হোসেন (৪৬) পিরুজালী আলিমপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।শাহনাজ বেগম (৪৫): মধ্যপাড়া গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে পিরুজালী মধ্যপাড়া গ্রামে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে আছমা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের নাটক সাজানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পুত্রবধূ আরিফা আক্তারের কথায় অসঙ্গতি পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি নিজেই শাশুড়িকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। আরিফার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে সহযোগী আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার কর জানান, এই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুর সদরের পিরুজালী গ্রামে মধ্যরাতে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে শাশুড়িকে হত্যার ঘটনায় পুত্রবধূসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামে মধ্যরাতে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে শাশুড়িকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে জয়দেবপুর থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো আরিফা আক্তার (২৬) নিহত আছমা আক্তারের পুত্রবধূ।উজ্জ্বল হোসেন (৪৬) পিরুজালী আলিমপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।শাহনাজ বেগম (৪৫): মধ্যপাড়া গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে পিরুজালী মধ্যপাড়া গ্রামে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে আছমা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের নাটক সাজানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পুত্রবধূ আরিফা আক্তারের কথায় অসঙ্গতি পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি নিজেই শাশুড়িকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। আরিফার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে সহযোগী আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার কর জানান, এই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন