নজর বিডি
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

কালবৈশাখী ঝড়ে কোটি টাকার লবণ পানিতে বিলীন, দিশেহারা চাষিরা

কালবৈশাখী ঝড়ে কোটি টাকার লবণ পানিতে বিলীন, দিশেহারা চাষিরা
কক্সবাজারে কালবৈশাখীর ঝড়ো হাওয়া ও টানা বৃষ্টিতে বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহের সর্বশেষ গত তিন দিনে উৎপাদিত ও উৎপাদনাধীন বিপুল পরিমাণ লবণ পানিতে মিশে গিয়ে প্রান্তিক চাষিদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

কক্সবাজারে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও ভারি বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ। গত তিন দিনে উৎপাদিত ও উৎপাদনাধীন বিপুল পরিমাণ লবণ বৃষ্টির পানিতে মিশে যাওয়ায় কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপকূলীয় প্রান্তিক চাষিরা।

কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও, পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাঠের স্তূপ করা লবণ গলে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা বিশেষ ‘বেড’ বা ‘কাই’ নষ্ট হয়ে গেছে। চাষিরা জানিয়েছেন, লোনা পানি মিষ্টি হয়ে যাওয়ায় পুনরায় উৎপাদন শুরু করতে অন্তত ৫ থেকে ৭ দিন সময় লাগবে। অতিরিক্ত শ্রম ও জ্বালানি ব্যয়ের আশঙ্কায় অনেক চাষি এখন ঋণ পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া জানান, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কয়েক হাজার একর লবণ মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে জাতীয় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে দেশে লবণের চাহিদা ধরা হয়েছে ২৭ লাখ ১৫ হাজার টন, যার একটি বড় অংশই উৎপাদিত হয় কক্সবাজারের এই উপকূলীয় অঞ্চল থেকে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


কালবৈশাখী ঝড়ে কোটি টাকার লবণ পানিতে বিলীন, দিশেহারা চাষিরা

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কক্সবাজারে কালবৈশাখীর ঝড়ো হাওয়া ও টানা বৃষ্টিতে বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহের সর্বশেষ গত তিন দিনে উৎপাদিত ও উৎপাদনাধীন বিপুল পরিমাণ লবণ পানিতে মিশে গিয়ে প্রান্তিক চাষিদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

কক্সবাজারে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও ভারি বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ। গত তিন দিনে উৎপাদিত ও উৎপাদনাধীন বিপুল পরিমাণ লবণ বৃষ্টির পানিতে মিশে যাওয়ায় কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপকূলীয় প্রান্তিক চাষিরা।

কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও, পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাঠের স্তূপ করা লবণ গলে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা বিশেষ ‘বেড’ বা ‘কাই’ নষ্ট হয়ে গেছে। চাষিরা জানিয়েছেন, লোনা পানি মিষ্টি হয়ে যাওয়ায় পুনরায় উৎপাদন শুরু করতে অন্তত ৫ থেকে ৭ দিন সময় লাগবে। অতিরিক্ত শ্রম ও জ্বালানি ব্যয়ের আশঙ্কায় অনেক চাষি এখন ঋণ পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া জানান, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কয়েক হাজার একর লবণ মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে জাতীয় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে দেশে লবণের চাহিদা ধরা হয়েছে ২৭ লাখ ১৫ হাজার টন, যার একটি বড় অংশই উৎপাদিত হয় কক্সবাজারের এই উপকূলীয় অঞ্চল থেকে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত