সারাদেশে ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং অবৈধ মজুত ও চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাচার ও বাজার কারসাজি বন্ধে সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে সংস্থাটি।
সারাদেশে ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং অবৈধ মজুত ও চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাচার ও বাজার কারসাজি বন্ধে সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে সংস্থাটি।
এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৫ হাজার ৪২৫ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিজিবির সদর দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, জয়পুরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ফেনী, কক্সবাজার ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়। তিনি আরও জানান ২০২৪ সালে ১৩ হাজার ১৭৭ লিটার জব্দ। ২০২৫ সালে ৩০ হাজার ৯২ লিটার জব্দ। বিগত তিন বছরে মোট ৪৩ হাজার ২৬৯ লিটার তেল উদ্ধার।
সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে বিজিবির নারায়ণগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৬২ বিজিবি) ও র্যাবের একটি যৌথ দল রূপগঞ্জের তারাবো কাজীপাড়া চৌরাস্তায় অভিযান চালায়। সেখানে রাজু ও খোরশেদ নামক দুই ব্যক্তির গুদাম থেকে ২ হাজার লিটার খোলা সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, খোলা তেল সংগ্রহ করে তা অবৈধভাবে বোতলজাত করে ‘বন্ধন প্লাস’ ও ‘বিসমিল্লাহ’ নামক স্টিকার লাগিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছিল। এই প্রতারণার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বিজিবি জানিয়েছে, তেল পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত ও বিশেষ টহল বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সীমান্তবর্তী ৮ কিলোমিটারের বাইরেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে বিজিবি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশে ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং অবৈধ মজুত ও চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাচার ও বাজার কারসাজি বন্ধে সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে সংস্থাটি।
সারাদেশে ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং অবৈধ মজুত ও চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাচার ও বাজার কারসাজি বন্ধে সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে সংস্থাটি।
এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৫ হাজার ৪২৫ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিজিবির সদর দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, জয়পুরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ফেনী, কক্সবাজার ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়। তিনি আরও জানান ২০২৪ সালে ১৩ হাজার ১৭৭ লিটার জব্দ। ২০২৫ সালে ৩০ হাজার ৯২ লিটার জব্দ। বিগত তিন বছরে মোট ৪৩ হাজার ২৬৯ লিটার তেল উদ্ধার।
সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে বিজিবির নারায়ণগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৬২ বিজিবি) ও র্যাবের একটি যৌথ দল রূপগঞ্জের তারাবো কাজীপাড়া চৌরাস্তায় অভিযান চালায়। সেখানে রাজু ও খোরশেদ নামক দুই ব্যক্তির গুদাম থেকে ২ হাজার লিটার খোলা সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, খোলা তেল সংগ্রহ করে তা অবৈধভাবে বোতলজাত করে ‘বন্ধন প্লাস’ ও ‘বিসমিল্লাহ’ নামক স্টিকার লাগিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছিল। এই প্রতারণার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বিজিবি জানিয়েছে, তেল পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত ও বিশেষ টহল বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সীমান্তবর্তী ৮ কিলোমিটারের বাইরেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে বিজিবি।

আপনার মতামত লিখুন