দীর্ঘদিন ধরে এ স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবশেষে সেই প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তার প্রচেষ্টা ও উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ রেলওয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, মুকসুদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু করা। নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এ বিষয়ে কাজ করা হয়েছে। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনেই এই সেবা চালু হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রেলস্টেশনে ট্রেন থামা শুরু হলে মুকসুদপুর থেকে ঢাকা, খুলনা ও বেনাপোলগামী যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এতে সময় ও ব্যয় দুটোই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতদিন সড়কপথে পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ বেশি হতো। এখন রেলসেবা চালু হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের মতে, আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি তাদের জন্য নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমণের সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে দূরপাল্লার যাতায়াতে এটি বড় ধরনের স্বস্তি এনে দেবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে এ স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবশেষে সেই প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তার প্রচেষ্টা ও উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ রেলওয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, মুকসুদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু করা। নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এ বিষয়ে কাজ করা হয়েছে। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনেই এই সেবা চালু হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রেলস্টেশনে ট্রেন থামা শুরু হলে মুকসুদপুর থেকে ঢাকা, খুলনা ও বেনাপোলগামী যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এতে সময় ও ব্যয় দুটোই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতদিন সড়কপথে পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ বেশি হতো। এখন রেলসেবা চালু হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের মতে, আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি তাদের জন্য নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমণের সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে দূরপাল্লার যাতায়াতে এটি বড় ধরনের স্বস্তি এনে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন