পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য মাঠের পর মাঠ ঘুরে সেচ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। এ সময় কৃষকরা পানির অভাবে ফসল উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরলে তিনি মনোযোগ দিয়ে তা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
এমপি মো. নুরুল ইসলাম (বুলবুল) বলেন, “কৃষি আমাদের প্রাণ। সেচ সুবিধার অভাবে এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন, যেসব খাল পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে, সেগুলো জরুরি ভিত্তিতে পুনঃখনন করতে হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও জোর দেন।
তার এই আকস্মিক পরিদর্শন ও তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কৃষকদের মতে, খালগুলো পুনঃখনন করা হলে শত শত হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং সেচ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
এলাকার সচেতন মহল মনে করছে, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য মাঠের পর মাঠ ঘুরে সেচ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। এ সময় কৃষকরা পানির অভাবে ফসল উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরলে তিনি মনোযোগ দিয়ে তা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
এমপি মো. নুরুল ইসলাম (বুলবুল) বলেন, “কৃষি আমাদের প্রাণ। সেচ সুবিধার অভাবে এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন, যেসব খাল পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে, সেগুলো জরুরি ভিত্তিতে পুনঃখনন করতে হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও জোর দেন।
তার এই আকস্মিক পরিদর্শন ও তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কৃষকদের মতে, খালগুলো পুনঃখনন করা হলে শত শত হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং সেচ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
এলাকার সচেতন মহল মনে করছে, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন