কুষ্টিয়ায় ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী। এ সময় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করেন তারা।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর নামের এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গণপিটুনিতে গুরুতর আহত শামীমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজা দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে কখনো আল্লাহ, কখনো নবী বা ভগবান দাবি করে আসছিলেন। সম্প্রতি তার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
সকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই কয়েকশ মানুষ তার আস্তানায় হামলা চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় শামীম ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়।
নিহত শামীম রেজা ইসলামের মৌলিক স্তম্ভসমূহ (নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত) অস্বীকার করে নিজস্ব মতবাদ প্রচার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি তিনি অনুসারীদের হজের বদলে স্থানীয় একটি বাঁশ বাগানের দরবারে যাওয়ার নির্দেশ দিতেন। দাফনের সময় ইসলামী নিয়ম উপেক্ষা করে ঢাকঢোল বাজানো ও ‘হরে শামীম’ ধ্বনি দেওয়ার প্রথা চালু করেছিলেন। পবিত্র কুরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা উচ্চশিক্ষিত হয়েও বিতর্কিত পথ বেছে নেন। ২০২১ সালেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন। জামিনে বেরিয়ে তিনি পুনরায় একই কাজ শুরু করেন।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান "বিক্ষুব্ধ জনতা আস্তানায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ চালায়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করছেন।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
কুষ্টিয়ায় ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী। এ সময় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করেন তারা।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর নামের এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গণপিটুনিতে গুরুতর আহত শামীমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজা দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে কখনো আল্লাহ, কখনো নবী বা ভগবান দাবি করে আসছিলেন। সম্প্রতি তার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
সকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই কয়েকশ মানুষ তার আস্তানায় হামলা চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় শামীম ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়।
নিহত শামীম রেজা ইসলামের মৌলিক স্তম্ভসমূহ (নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত) অস্বীকার করে নিজস্ব মতবাদ প্রচার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি তিনি অনুসারীদের হজের বদলে স্থানীয় একটি বাঁশ বাগানের দরবারে যাওয়ার নির্দেশ দিতেন। দাফনের সময় ইসলামী নিয়ম উপেক্ষা করে ঢাকঢোল বাজানো ও ‘হরে শামীম’ ধ্বনি দেওয়ার প্রথা চালু করেছিলেন। পবিত্র কুরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা উচ্চশিক্ষিত হয়েও বিতর্কিত পথ বেছে নেন। ২০২১ সালেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন। জামিনে বেরিয়ে তিনি পুনরায় একই কাজ শুরু করেন।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান "বিক্ষুব্ধ জনতা আস্তানায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ চালায়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করছেন।"

আপনার মতামত লিখুন