বরিশালের বানারীপাড়ায় অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে এক ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এই অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে এনএসআই ও বানারীপাড়া থানা পুলিশ সহযোগিতা করে।
অভিযানে দেখা যায়, স্থানীয় ডিলার শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের অনুমতি থাকলেও তিনি নিজ বাড়িতে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি সিলিন্ডার অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছিলেন। এসব সিলিন্ডার তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪০ ও ৪৩ ধারায় শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পাশাপাশি তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নেওয়া হয় এবং মজুতকৃত সিলিন্ডার দ্রুত বাজারে সরবরাহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
বরিশালের বানারীপাড়ায় অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে এক ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এই অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে এনএসআই ও বানারীপাড়া থানা পুলিশ সহযোগিতা করে।
অভিযানে দেখা যায়, স্থানীয় ডিলার শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের অনুমতি থাকলেও তিনি নিজ বাড়িতে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি সিলিন্ডার অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছিলেন। এসব সিলিন্ডার তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪০ ও ৪৩ ধারায় শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পাশাপাশি তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নেওয়া হয় এবং মজুতকৃত সিলিন্ডার দ্রুত বাজারে সরবরাহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন