গাজীপুরে স্বামীকে অবাক করে দিতে বাপের বাড়ি থেকে না বলে ফিরে এসে নিজেই চরম অপ্রস্তুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন এক স্ত্রী।
গাজীপুরে স্বামীকে অবাক করে দিতে বাপের বাড়ি থেকে না বলে ফিরে এসে নিজেই চরম অপ্রস্তুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন এক স্ত্রী। নিজের শোবার ঘরে স্বামীকে অন্য এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেছেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে ওই গৃহবধূ গাজীপুরের বাসা থেকে বাবার বাড়ি বেড়াতে যান। এই সুযোগে স্বামী তার প্রেমিকাকে নিজের ঘরে ডেকে আনেন। এদিকে স্বামীক ‘সারপ্রাইজ’ দেবেন বলে গত রাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে হুট করেই বাসায় ফেরেন স্ত্রী। তালা খুলে ঘরে প্রবেশ করতেই নিজের চোখে স্বামীর পরকীয়ার দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি।
স্বামী ও তার প্রেমিকাকে এই অবস্থায় দেখে মেজাজ হারান স্ত্রী। ঘটনাস্থলেই স্বামী ও ওই নারীকে মারধর করেন তিনি। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। ক্ষুব্ধ স্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা দেন যে, তিনি এমন প্রতারক স্বামীর সাথে সংসার করবেন না। বিচ্ছেদ নিশ্চিত করতে তিনি তার দেনমোহরের ৭ লাখ টাকা পরিশোধের দাবি জানান।
তবে স্ত্রীর মারধর এবং দাবির মুখেও স্বামী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি স্ত্রীকে তালাক দেবেন না। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা চললেও স্ত্রী তার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। তিনি পাওনা টাকা বুঝিয়ে নিয়ে এই সম্পর্ক থেকে মুক্তি চান।
"আমি ওকে বিশ্বাস করে বাপের বাড়ি গিয়েছিলাম। আর ও আমার ঘরে অন্য মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করছে। এই মুখ নিয়ে আমি আর সংসার করবো না। আমার দেনমোহরের টাকা দিয়ে দিলে আমি আজই বিদায় হবো।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরে স্বামীকে অবাক করে দিতে বাপের বাড়ি থেকে না বলে ফিরে এসে নিজেই চরম অপ্রস্তুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন এক স্ত্রী।
গাজীপুরে স্বামীকে অবাক করে দিতে বাপের বাড়ি থেকে না বলে ফিরে এসে নিজেই চরম অপ্রস্তুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন এক স্ত্রী। নিজের শোবার ঘরে স্বামীকে অন্য এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেছেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে ওই গৃহবধূ গাজীপুরের বাসা থেকে বাবার বাড়ি বেড়াতে যান। এই সুযোগে স্বামী তার প্রেমিকাকে নিজের ঘরে ডেকে আনেন। এদিকে স্বামীক ‘সারপ্রাইজ’ দেবেন বলে গত রাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে হুট করেই বাসায় ফেরেন স্ত্রী। তালা খুলে ঘরে প্রবেশ করতেই নিজের চোখে স্বামীর পরকীয়ার দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি।
স্বামী ও তার প্রেমিকাকে এই অবস্থায় দেখে মেজাজ হারান স্ত্রী। ঘটনাস্থলেই স্বামী ও ওই নারীকে মারধর করেন তিনি। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। ক্ষুব্ধ স্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা দেন যে, তিনি এমন প্রতারক স্বামীর সাথে সংসার করবেন না। বিচ্ছেদ নিশ্চিত করতে তিনি তার দেনমোহরের ৭ লাখ টাকা পরিশোধের দাবি জানান।
তবে স্ত্রীর মারধর এবং দাবির মুখেও স্বামী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি স্ত্রীকে তালাক দেবেন না। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা চললেও স্ত্রী তার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। তিনি পাওনা টাকা বুঝিয়ে নিয়ে এই সম্পর্ক থেকে মুক্তি চান।
"আমি ওকে বিশ্বাস করে বাপের বাড়ি গিয়েছিলাম। আর ও আমার ঘরে অন্য মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করছে। এই মুখ নিয়ে আমি আর সংসার করবো না। আমার দেনমোহরের টাকা দিয়ে দিলে আমি আজই বিদায় হবো।"

আপনার মতামত লিখুন