ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
প্রায় ৫ বিঘা জমিতে ১ হাজার ৫০টি পেয়ারা গাছ লাগিয়েছেন ইমন। তার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে আশপাশের অনেক কৃষক এখন পেয়ারা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। গুটুদিয়া ইউনিয়নের পঞ্চুর গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম এবং শলুয়া গ্রামের পূর্ণেন্দু বিশ্বাসও ইতোমধ্যে পেয়ারা চাষ শুরু করেছেন। ফলে ডুমুরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠছে নতুন নতুন পেয়ারা বাগান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা জানান, চলতি বছরে ডুমুরিয়ায় ২৫ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। সাধারণ ফসলের তুলনায় পেয়ারা চাষে প্রায় তিন গুণ বেশি লাভ পাওয়া যায়। খুলনা হর্টিকালচার থেকে সংগৃহীত চারা বৈশাখের শেষের দিকে রোপণ করা হয় এবং প্রায় ৯ মাসের মধ্যেই ফল ধরা শুরু করে।
তিনি আরও জানান, একটি গাছে গড়ে ১০০ থেকে ১৫০টি ফল ধরে। তবে গাছের সুস্থ বৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ২০ থেকে ২৫টি ফল রাখা হয়। যদিও সারা বছর ফলন পাওয়া যায়, শীত মৌসুমে পেয়ারার দাম বেশি থাকে। পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে রক্ষা পেতে সুষম সার প্রয়োগ এবং ফল পলিথিন দিয়ে মোড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পেয়ারা চাষ বর্তমানে অত্যন্ত লাভজনক। এক বিঘা জমিতে প্রায় ৪০০টি গাছ লাগানো সম্ভব এবং প্রতিটি গাছ থেকে বছরে গড়ে ২০ কেজি ফল পাওয়া যায়। পাইকারি বাজারে এক মণ পেয়ারা প্রায় ১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ফলে একটি গাছ থেকেই বছরে তিন হাজার টাকার বেশি আয় করা সম্ভব।
তিনি আরও জানান, বিষমুক্ত ফল উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে লেবু ও মালটা চাষের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
প্রায় ৫ বিঘা জমিতে ১ হাজার ৫০টি পেয়ারা গাছ লাগিয়েছেন ইমন। তার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে আশপাশের অনেক কৃষক এখন পেয়ারা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। গুটুদিয়া ইউনিয়নের পঞ্চুর গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম এবং শলুয়া গ্রামের পূর্ণেন্দু বিশ্বাসও ইতোমধ্যে পেয়ারা চাষ শুরু করেছেন। ফলে ডুমুরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠছে নতুন নতুন পেয়ারা বাগান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা জানান, চলতি বছরে ডুমুরিয়ায় ২৫ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। সাধারণ ফসলের তুলনায় পেয়ারা চাষে প্রায় তিন গুণ বেশি লাভ পাওয়া যায়। খুলনা হর্টিকালচার থেকে সংগৃহীত চারা বৈশাখের শেষের দিকে রোপণ করা হয় এবং প্রায় ৯ মাসের মধ্যেই ফল ধরা শুরু করে।
তিনি আরও জানান, একটি গাছে গড়ে ১০০ থেকে ১৫০টি ফল ধরে। তবে গাছের সুস্থ বৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ২০ থেকে ২৫টি ফল রাখা হয়। যদিও সারা বছর ফলন পাওয়া যায়, শীত মৌসুমে পেয়ারার দাম বেশি থাকে। পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে রক্ষা পেতে সুষম সার প্রয়োগ এবং ফল পলিথিন দিয়ে মোড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পেয়ারা চাষ বর্তমানে অত্যন্ত লাভজনক। এক বিঘা জমিতে প্রায় ৪০০টি গাছ লাগানো সম্ভব এবং প্রতিটি গাছ থেকে বছরে গড়ে ২০ কেজি ফল পাওয়া যায়। পাইকারি বাজারে এক মণ পেয়ারা প্রায় ১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ফলে একটি গাছ থেকেই বছরে তিন হাজার টাকার বেশি আয় করা সম্ভব।
তিনি আরও জানান, বিষমুক্ত ফল উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে লেবু ও মালটা চাষের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। 
আপনার মতামত লিখুন