সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত রাখার দায়ে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১২০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী। একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ অপু। এতে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সাতক্ষীরা আর্মি ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার তোফাজ্জল হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে মোট ৬ ব্যারেল (১২০০ লিটার) ডিজেল উদ্ধার করা হয়। দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের মুহূর্তে এভাবে তেল মজুত করা পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ এর পরিপন্থী হওয়ায় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দকৃত ডিজেল বর্তমানে কালিগঞ্জ থানায় জমা রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়ল দাবি করেন, তার চিংড়ি ঘেরের সেচ মেশিন ও ভেকু গাড়ি চালানোর জন্য এই তেল কেনা হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে কম দামে তেল কিনে অবৈধভাবে মজুত করতেন এবং পরে তা সাধারণ মানুষের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন।
অভিযান শেষে চেয়ারম্যান ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবেন না মর্মে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত রাখার দায়ে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১২০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী। একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ অপু। এতে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সাতক্ষীরা আর্মি ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার তোফাজ্জল হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে মোট ৬ ব্যারেল (১২০০ লিটার) ডিজেল উদ্ধার করা হয়। দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের মুহূর্তে এভাবে তেল মজুত করা পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ এর পরিপন্থী হওয়ায় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দকৃত ডিজেল বর্তমানে কালিগঞ্জ থানায় জমা রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়ল দাবি করেন, তার চিংড়ি ঘেরের সেচ মেশিন ও ভেকু গাড়ি চালানোর জন্য এই তেল কেনা হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে কম দামে তেল কিনে অবৈধভাবে মজুত করতেন এবং পরে তা সাধারণ মানুষের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন।
অভিযান শেষে চেয়ারম্যান ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবেন না মর্মে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন।

আপনার মতামত লিখুন