নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ডুমুরিয়ায় ১ লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

ডুমুরিয়ায় ১ লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

ডুমুরিয়া মিকশিমিল সড়কে হাসান পুরো খেয়া ঘাটে নিজস্ব জমিতে দোকান করিলে সকড় ও জনপথ বিভাগের ব্রিজ করিলে দোকান বেধে ‌গেলে খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী


খুলনার ডুমুরিয়া-মিকশিমিল সড়কের হাসানপুর খেয়াঘাট এলাকায় এক লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ব্যক্তির দোকানঘর জোরপূর্বক ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার হাসানপুর গ্রামের হাফিজুর গাজী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই দোকান ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রেজাউল ইসলাম খান।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, হাসানপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন মিকশিমিল মৌজায় নিজস্ব জমিতে (বিআরএস খতিয়ান ২০৯৬, দাগ ১১০৪৫/বাটা ১১০৯০) রেজাউল ইসলামের একটি দোকান ঘর ছিল। সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ সেখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করলে দোকানটি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়। এই সমস্যা সমাধানে গত ০৭ এপ্রিল খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তালিমুল হকের কার্যালয়ে এক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলতাফ হোসেন গাজী, আব্দুল খালেক, হাফিজুর গাজীসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ উঠেছে, ওই বৈঠকে হাসানপুর গ্রামের মাহতাব গাজীর ছেলে হাফিজুর গাজী জমির মালিক রেজাউল ইসলাম খানের কাছে দোকান বাবদ এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। রেজাউল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১১ এপ্রিল হাফিজুর ও তার বাহিনী দোকান ভাঙতে আসে। বাধা দিতে গেলে রেজাউল ও তার ছেলে রকিব খানকে লাঠিসোঁটা নিয়ে মারতে উদ্যত হয় হামলাকারীরা। একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক দোকানঘরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ভাঙচুরের পর হাফিজুর গাজীসহ তার বাহিনীর সদস্যরা হুমকি দিচ্ছে যে, থানায় অভিযোগ করলে তাদের মেরে ফেলা হবে। এই ঘটনায় হাফিজুর ছাড়াও বিশ্বজিৎ রায়, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম এবং হামিদ গাজীর নাম উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। হুমকির মুখে তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করতে না পারলেও স্থানীয় বিএনপি নেতারা সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় ১ লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ডুমুরিয়া মিকশিমিল সড়কে হাসান পুরো খেয়া ঘাটে নিজস্ব জমিতে দোকান করিলে সকড় ও জনপথ বিভাগের ব্রিজ করিলে দোকান বেধে ‌গেলে খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী


খুলনার ডুমুরিয়া-মিকশিমিল সড়কের হাসানপুর খেয়াঘাট এলাকায় এক লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ব্যক্তির দোকানঘর জোরপূর্বক ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার হাসানপুর গ্রামের হাফিজুর গাজী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই দোকান ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রেজাউল ইসলাম খান।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, হাসানপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন মিকশিমিল মৌজায় নিজস্ব জমিতে (বিআরএস খতিয়ান ২০৯৬, দাগ ১১০৪৫/বাটা ১১০৯০) রেজাউল ইসলামের একটি দোকান ঘর ছিল। সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ সেখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করলে দোকানটি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়। এই সমস্যা সমাধানে গত ০৭ এপ্রিল খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তালিমুল হকের কার্যালয়ে এক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলতাফ হোসেন গাজী, আব্দুল খালেক, হাফিজুর গাজীসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ উঠেছে, ওই বৈঠকে হাসানপুর গ্রামের মাহতাব গাজীর ছেলে হাফিজুর গাজী জমির মালিক রেজাউল ইসলাম খানের কাছে দোকান বাবদ এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। রেজাউল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১১ এপ্রিল হাফিজুর ও তার বাহিনী দোকান ভাঙতে আসে। বাধা দিতে গেলে রেজাউল ও তার ছেলে রকিব খানকে লাঠিসোঁটা নিয়ে মারতে উদ্যত হয় হামলাকারীরা। একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক দোকানঘরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ভাঙচুরের পর হাফিজুর গাজীসহ তার বাহিনীর সদস্যরা হুমকি দিচ্ছে যে, থানায় অভিযোগ করলে তাদের মেরে ফেলা হবে। এই ঘটনায় হাফিজুর ছাড়াও বিশ্বজিৎ রায়, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম এবং হামিদ গাজীর নাম উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। হুমকির মুখে তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করতে না পারলেও স্থানীয় বিএনপি নেতারা সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত তদন্তপূর্বক দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত