গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। পহেলা বৈশাখের শুভক্ষণকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে নতুন এক মাইলফলক।
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবশেষে শুরু হচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি।
আগামীকাল ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ ১৪৩৩), পহেলা বৈশাখ থেকে ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলাচলকারী নির্দিষ্ট আন্তঃনগর ট্রেনগুলো এই স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে থামবে। রেলওয়ের এই সিদ্ধান্তে পুরো মুকসুদপুর এলাকায় এখন আনন্দের জোয়ার বইছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেনারেল ম্যানেজারের দপ্তর থেকে জারি করা এক দপ্তরাদেশে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন মুকসুদপুর স্টেশনে দুই মিনিটের জন্য যাত্রাবিরতি করবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পশ্চিম) মো. আবুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদ্যমান 'সময়সূচি-৪৫' বজায় রেখে ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে আগমন ও প্রস্থান করবে।
মুকসুদপুরবাসীর এই দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন গোপালগঞ্জ-১ (সংসদীয় আসন-২১৫) আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম। তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় রেল কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন “মুকসুদপুরবাসীর বহুদিনের একটি যৌক্তিক দাবি ছিল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি। নির্বাচনের সময় আমি এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। পহেলা বৈশাখের এই শুভক্ষণে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি আনন্দিত। এর ফলে যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও আরও গতিশীল হবে।”
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: ছিরু মিয়া বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মুকসুদপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এতদিন সড়কপথে ঢাকা বা খুলনায় যাতায়াত করতে সময় ও খরচ দুটিই বেশি লাগত। এখন ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে যাবে এবং পণ্য পরিবহনে বড় সুবিধা হবে।
নিরাপদ ও আরামদায়ক রেল ভ্রমণের এই সুযোগকে মুকসুদপুরের সামগ্রিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। পহেলা বৈশাখের শুভক্ষণকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে নতুন এক মাইলফলক।
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবশেষে শুরু হচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি।
আগামীকাল ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ ১৪৩৩), পহেলা বৈশাখ থেকে ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলাচলকারী নির্দিষ্ট আন্তঃনগর ট্রেনগুলো এই স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে থামবে। রেলওয়ের এই সিদ্ধান্তে পুরো মুকসুদপুর এলাকায় এখন আনন্দের জোয়ার বইছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেনারেল ম্যানেজারের দপ্তর থেকে জারি করা এক দপ্তরাদেশে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন মুকসুদপুর স্টেশনে দুই মিনিটের জন্য যাত্রাবিরতি করবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পশ্চিম) মো. আবুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদ্যমান 'সময়সূচি-৪৫' বজায় রেখে ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে আগমন ও প্রস্থান করবে।
মুকসুদপুরবাসীর এই দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন গোপালগঞ্জ-১ (সংসদীয় আসন-২১৫) আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম। তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় রেল কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন “মুকসুদপুরবাসীর বহুদিনের একটি যৌক্তিক দাবি ছিল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি। নির্বাচনের সময় আমি এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। পহেলা বৈশাখের এই শুভক্ষণে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি আনন্দিত। এর ফলে যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও আরও গতিশীল হবে।”
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: ছিরু মিয়া বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মুকসুদপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এতদিন সড়কপথে ঢাকা বা খুলনায় যাতায়াত করতে সময় ও খরচ দুটিই বেশি লাগত। এখন ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে যাবে এবং পণ্য পরিবহনে বড় সুবিধা হবে।
নিরাপদ ও আরামদায়ক রেল ভ্রমণের এই সুযোগকে মুকসুদপুরের সামগ্রিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আপনার মতামত লিখুন