চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটি ও আবহাওয়ায় থাইল্যান্ডের বিদেশি জাতের আম চাষ করে কৃষি অর্থনীতিতে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন তরুণ উদ্যোক্তা পলাশ কর্মকার।
আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথাগত আমের বাইরে থাইল্যান্ডের বিখ্যাত ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ চাষ করে নতুন সম্ভাবনা জাগিয়েছেন সদর উপজেলার আতাহার এলাকার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা শ্রী পলাশ কর্মকার।
লম্বাকৃতির এই আম কেবল দেখতেই আকর্ষণীয় নয়, বরং বিদেশের মতো বাংলাদেশের মাটিতেও বছরে দুবার ফলন দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
[caption id="attachment_25332" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
আতাহার দক্ষিণ শহর এলাকায় পলাশ কর্মকারের ১০ বিঘা জমির বিশাল বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলে আছে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’। দেখতে অনেকটা কলার মতো হওয়ায় এর এমন নামকরণ। গত ৫ বছর ধরে আম চাষের সঙ্গে যুক্ত পলাশ এখন প্রায় ২ হাজার গাছের পরিচর্যা করছেন। তার বাগানে রুপালি, কাটিমন ও গৌড়মতির মতো দামি জাত থাকলেও সবার নজর কাড়ছে এই বিদেশি জাতটি।
উদ্যোক্তা পলাশ কর্মকার জানান, থাইল্যান্ডের আবহাওয়ায় ব্যানানা ম্যাঙ্গো বছরে দুবার ফলন দেয়। তার বাগানের কিছু গাছে এখন বড় আমের পাশাপাশি নতুন মুকুল আসতে শুরু করেছে, যা বছরে দুবার আম পাওয়ার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।
পলাশ বলেন "এই আম বিদেশি হলেও আমাদের দেশের মাটিতে এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আমি চেষ্টা করছি বছরে দুবার ফলন নিশ্চিত করতে। এটি সফল হলে কৃষকরা অনেক বেশি লাভবান হতে পারবে।"
পলাশের মূল লক্ষ্য এই আম বিশ্ববাজারে রপ্তানি করা। তিনি মনে করেন, ব্যানানা ম্যাঙ্গোর আন্তর্জাতিক চাহিদা প্রচুর। তবে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কিছু প্রতিবন্ধকতার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। আম দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য জেলায় একটি উন্নত সরকারি হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, একটি আধুনিক হিমাগার থাকলে আম নষ্ট হওয়ার ভয় ছাড়াই বিদেশে পাঠিয়ে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হতো।
প্রথাগত আম চাষের বাইরে পলাশের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এখন এলাকার অন্য চাষিদেরও অনুপ্রাণিত করছে। যদি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বছরে দুবার ফলন নিশ্চিত করা যায় এবং রপ্তানির পথ সুগম হয়, তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম অর্থনীতিতে এক নতুন বিপ্লব আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটি ও আবহাওয়ায় থাইল্যান্ডের বিদেশি জাতের আম চাষ করে কৃষি অর্থনীতিতে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন তরুণ উদ্যোক্তা পলাশ কর্মকার।
আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথাগত আমের বাইরে থাইল্যান্ডের বিখ্যাত ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ চাষ করে নতুন সম্ভাবনা জাগিয়েছেন সদর উপজেলার আতাহার এলাকার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা শ্রী পলাশ কর্মকার।
লম্বাকৃতির এই আম কেবল দেখতেই আকর্ষণীয় নয়, বরং বিদেশের মতো বাংলাদেশের মাটিতেও বছরে দুবার ফলন দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
[caption id="attachment_25332" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
আতাহার দক্ষিণ শহর এলাকায় পলাশ কর্মকারের ১০ বিঘা জমির বিশাল বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলে আছে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’। দেখতে অনেকটা কলার মতো হওয়ায় এর এমন নামকরণ। গত ৫ বছর ধরে আম চাষের সঙ্গে যুক্ত পলাশ এখন প্রায় ২ হাজার গাছের পরিচর্যা করছেন। তার বাগানে রুপালি, কাটিমন ও গৌড়মতির মতো দামি জাত থাকলেও সবার নজর কাড়ছে এই বিদেশি জাতটি।
উদ্যোক্তা পলাশ কর্মকার জানান, থাইল্যান্ডের আবহাওয়ায় ব্যানানা ম্যাঙ্গো বছরে দুবার ফলন দেয়। তার বাগানের কিছু গাছে এখন বড় আমের পাশাপাশি নতুন মুকুল আসতে শুরু করেছে, যা বছরে দুবার আম পাওয়ার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।
পলাশ বলেন "এই আম বিদেশি হলেও আমাদের দেশের মাটিতে এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আমি চেষ্টা করছি বছরে দুবার ফলন নিশ্চিত করতে। এটি সফল হলে কৃষকরা অনেক বেশি লাভবান হতে পারবে।"
পলাশের মূল লক্ষ্য এই আম বিশ্ববাজারে রপ্তানি করা। তিনি মনে করেন, ব্যানানা ম্যাঙ্গোর আন্তর্জাতিক চাহিদা প্রচুর। তবে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কিছু প্রতিবন্ধকতার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। আম দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য জেলায় একটি উন্নত সরকারি হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, একটি আধুনিক হিমাগার থাকলে আম নষ্ট হওয়ার ভয় ছাড়াই বিদেশে পাঠিয়ে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হতো।
প্রথাগত আম চাষের বাইরে পলাশের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এখন এলাকার অন্য চাষিদেরও অনুপ্রাণিত করছে। যদি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বছরে দুবার ফলন নিশ্চিত করা যায় এবং রপ্তানির পথ সুগম হয়, তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম অর্থনীতিতে এক নতুন বিপ্লব আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন