বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের কৃষকদের কল্যাণে আজ পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পহেলা বৈশাখের শুভলগ্নে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের ঐতিহাসিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এই নতুন উদ্যোগকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের কৃষকদের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার ও খুশির আমেজ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেবেন।
জানা গেছে, সারাদেশে ‘প্রি-পাইলটিং’ হিসেবে ১০টি উপজেলার ১১টি ব্লকে প্রাথমিকভাবে ৩৫ হাজার কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ ব্লকের ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ড পাচ্ছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৫ জন কৃষকের হাতে নিজ হাতে কার্ড তুলে দেবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি প্রণোদনার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কার্ড নিতে যাওয়া বড়রিয়া গ্রামের কৃষক আবু কায়সার ও সুরুজ পূর্বপাড়া গ্রামের শাহানুর আলম তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "আগে কৃষক হিসেবে আমাদের তেমন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না। এই কার্ড আমাদের একটি পরিচয় দিয়েছে। এখন থেকে সার, কীটনাশক কেনাসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা সরাসরি কার্ডের মাধ্যমে পাব। প্রধানমন্ত্রী তার কথা রেখেছেন।"
এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, দেশের ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত। উৎপাদন থেকে বিপণন—প্রতিটি পর্যায়ে কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। টাঙ্গাইলসহ ১১টি স্থানে সফলভাবে প্রি-পাইলটিং শেষে পর্যায়ক্রমে আগামী চার বছরের মধ্যে পুরো দেশে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের কৃষকদের কল্যাণে আজ পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পহেলা বৈশাখের শুভলগ্নে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের ঐতিহাসিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এই নতুন উদ্যোগকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের কৃষকদের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার ও খুশির আমেজ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেবেন।
জানা গেছে, সারাদেশে ‘প্রি-পাইলটিং’ হিসেবে ১০টি উপজেলার ১১টি ব্লকে প্রাথমিকভাবে ৩৫ হাজার কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ ব্লকের ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ড পাচ্ছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৫ জন কৃষকের হাতে নিজ হাতে কার্ড তুলে দেবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি প্রণোদনার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কার্ড নিতে যাওয়া বড়রিয়া গ্রামের কৃষক আবু কায়সার ও সুরুজ পূর্বপাড়া গ্রামের শাহানুর আলম তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "আগে কৃষক হিসেবে আমাদের তেমন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না। এই কার্ড আমাদের একটি পরিচয় দিয়েছে। এখন থেকে সার, কীটনাশক কেনাসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা সরাসরি কার্ডের মাধ্যমে পাব। প্রধানমন্ত্রী তার কথা রেখেছেন।"
এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, দেশের ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত। উৎপাদন থেকে বিপণন—প্রতিটি পর্যায়ে কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। টাঙ্গাইলসহ ১১টি স্থানে সফলভাবে প্রি-পাইলটিং শেষে পর্যায়ক্রমে আগামী চার বছরের মধ্যে পুরো দেশে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন