দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর রেলওয়ে স্টেশনে শুরু হলো আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি।
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর রেলওয়ে স্টেশনে শুরু হলো আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি।
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলাচলকারী ‘রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি প্রথমবারের মতো মুকসুদপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। এ উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
[caption id="attachment_25434" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম। তিনি ট্রেন থেকে নেমে উৎসুক জনতার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী সাবরিনা আহম্মেদ শুভ্রা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ রাফিকুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান এবং পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, "মুকসুদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আমি বিষয়টি রেলমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করি। জনগণের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে আজ থেকে ‘রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হলো।" তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ‘জাহানাবাদ এক্সপ্রেস’ ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর বিষয়েও জোরালো দাবি জানানো হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সরকারি মুকসুদপুর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, রেলওয়ে রাজবাড়ী জে.টি.আই (টিএন্ডসি) মো. মিজানুর রহমান এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ প্রেসক্লাব সভাপতি মো. ছিরু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম।
ট্রেনের এই যাত্রাবিরতির ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর রেলওয়ে স্টেশনে শুরু হলো আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি।
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর রেলওয়ে স্টেশনে শুরু হলো আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি।
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলাচলকারী ‘রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি প্রথমবারের মতো মুকসুদপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। এ উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
[caption id="attachment_25434" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম। তিনি ট্রেন থেকে নেমে উৎসুক জনতার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী সাবরিনা আহম্মেদ শুভ্রা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ রাফিকুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান এবং পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, "মুকসুদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আমি বিষয়টি রেলমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করি। জনগণের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে আজ থেকে ‘রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হলো।" তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ‘জাহানাবাদ এক্সপ্রেস’ ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর বিষয়েও জোরালো দাবি জানানো হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সরকারি মুকসুদপুর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, রেলওয়ে রাজবাড়ী জে.টি.আই (টিএন্ডসি) মো. মিজানুর রহমান এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ প্রেসক্লাব সভাপতি মো. ছিরু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম।
ট্রেনের এই যাত্রাবিরতির ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন