রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব। বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাপ্তাই উপজেলার চিংম্র বৌদ্ধ বিহার মাঠে এ জলকেলি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ আর পাহাড়ের কোলজুড়ে এখন উৎসবের মাদকতা। মারমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক অনুষ্ঠান 'সাংগ্রাই' উপলক্ষে বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাপ্তাইয়ের ঐতিহাসিক চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার মাঠে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জলকেলি বা পানি খেলা উৎসব।
সকাল থেকেই পাহাড়ি-বাঙালিসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে চিংম্রং এলাকা। মারমা তরুণ-তরুণীরা একে অপরের ওপর জল ছিটিয়ে এক অনন্য উল্লাসে মেতে ওঠেন। এই জল ছিটানোর মধ্য দিয়ে তারা বিগত বছরের যাবতীয় দুঃখ, কষ্ট, জীর্ণতা আর গ্লানিকে ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার শপথ নেন। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং মারমা সংস্কৃতিতে আত্মিক শুদ্ধির এক প্রাচীন রীতি।
[caption id="attachment_25494" align="alignnone" width="299"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
সাংগ্রাই উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ফুটে ওঠে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান উৎসবের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন "জলকেলি উৎসব মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব হলেও এটি এখন পাহাড়ের সকল জাতিগোষ্ঠীর মাঝে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধই আমাদের পার্বত্য জনপদের মূল শক্তি।"
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বিজু, বৈসু, বিষু বা সাংক্রান উৎসব ১৪ এপ্রিল শেষ হলেও ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয় মারমাদের মূল আকর্ষণ জলকেলি। চিংম্রংয়ের এই আয়োজনের পর আগামী শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাঙামাটি শহরের চিং হ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বছরের সর্ববৃহৎ জলকেলি উৎসব। আর এর মাধ্যমেই পর্দা নামবে এবারের বর্ষবরণ উৎসবের।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব। বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাপ্তাই উপজেলার চিংম্র বৌদ্ধ বিহার মাঠে এ জলকেলি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ আর পাহাড়ের কোলজুড়ে এখন উৎসবের মাদকতা। মারমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক অনুষ্ঠান 'সাংগ্রাই' উপলক্ষে বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাপ্তাইয়ের ঐতিহাসিক চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার মাঠে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জলকেলি বা পানি খেলা উৎসব।
সকাল থেকেই পাহাড়ি-বাঙালিসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে চিংম্রং এলাকা। মারমা তরুণ-তরুণীরা একে অপরের ওপর জল ছিটিয়ে এক অনন্য উল্লাসে মেতে ওঠেন। এই জল ছিটানোর মধ্য দিয়ে তারা বিগত বছরের যাবতীয় দুঃখ, কষ্ট, জীর্ণতা আর গ্লানিকে ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার শপথ নেন। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং মারমা সংস্কৃতিতে আত্মিক শুদ্ধির এক প্রাচীন রীতি।
[caption id="attachment_25494" align="alignnone" width="299"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
সাংগ্রাই উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ফুটে ওঠে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান উৎসবের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন "জলকেলি উৎসব মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব হলেও এটি এখন পাহাড়ের সকল জাতিগোষ্ঠীর মাঝে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধই আমাদের পার্বত্য জনপদের মূল শক্তি।"
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বিজু, বৈসু, বিষু বা সাংক্রান উৎসব ১৪ এপ্রিল শেষ হলেও ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয় মারমাদের মূল আকর্ষণ জলকেলি। চিংম্রংয়ের এই আয়োজনের পর আগামী শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাঙামাটি শহরের চিং হ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বছরের সর্ববৃহৎ জলকেলি উৎসব। আর এর মাধ্যমেই পর্দা নামবে এবারের বর্ষবরণ উৎসবের।

আপনার মতামত লিখুন