নজর বিডি
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

গোপালগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং: গরমে বাড়ছে ভোগান্তি, কৃষি ও ব্যবসায় প্রভাব

গোপালগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং: গরমে বাড়ছে ভোগান্তি, কৃষি ও ব্যবসায় প্রভাব

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রীষ্মের শুরুতেই তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।


বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বিশাল ঘাটতি তৈরি হওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, ঘরে থাকাই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে জেলার অর্থনীতিতেও। বোরো মৌসুমে সেচনির্ভর জমিতে বিদ্যুৎ না থাকায় পাম্প চালানো যাচ্ছে না। ফলে ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে।

ছোট দোকান ও ক্ষুদ্র শিল্পকারখানাগুলো নিয়মিত উৎপাদন চালাতে পারছে না। বিকল্প হিসেবে জেনারেটর ব্যবহার করায় উৎপাদন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সূত্রমতে, চলতি বছরে সামগ্রিক জ্বালানি সংকট উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে গ্রীষ্মের বাড়তি চাহিদা। এছাড়া জাতীয় গ্রিডে মাঝে মাঝে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু সাময়িক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। সংকট উত্তরণে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং গ্রিড অবকাঠামোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে এই সংকট ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


গোপালগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং: গরমে বাড়ছে ভোগান্তি, কৃষি ও ব্যবসায় প্রভাব

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রীষ্মের শুরুতেই তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।


বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বিশাল ঘাটতি তৈরি হওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, ঘরে থাকাই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে জেলার অর্থনীতিতেও। বোরো মৌসুমে সেচনির্ভর জমিতে বিদ্যুৎ না থাকায় পাম্প চালানো যাচ্ছে না। ফলে ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে।

ছোট দোকান ও ক্ষুদ্র শিল্পকারখানাগুলো নিয়মিত উৎপাদন চালাতে পারছে না। বিকল্প হিসেবে জেনারেটর ব্যবহার করায় উৎপাদন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সূত্রমতে, চলতি বছরে সামগ্রিক জ্বালানি সংকট উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে গ্রীষ্মের বাড়তি চাহিদা। এছাড়া জাতীয় গ্রিডে মাঝে মাঝে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু সাময়িক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। সংকট উত্তরণে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং গ্রিড অবকাঠামোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে এই সংকট ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত