উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় মেহেন্দিগঞ্জে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১,৮১৫ জন। এর মধ্যে বালক ৬৬২ জন এবং বালিকা ১,১৫৩ জন। তবে অংশগ্রহণ করেননি ৮০৬ জন পরীক্ষার্থী—যার মধ্যে বালক ৩০১ জন এবং বালিকা ৫০৫ জন।
অভিভাবকদের অভিযোগ, সময়মতো পরীক্ষা না নিয়ে হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। অভিভাবক রফিকুল ইসলাম ও মোর্শেদা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ডিসেম্বর মাসে এই বৃত্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা বন্ধ রাখা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে প্রায় চার মাস পড়াশোনা করার পর হঠাৎ করে পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার ঘোষণা দেওয়া হয়।
তারা জানান, ষষ্ঠ শ্রেণীতে ওঠার পর অনেকেই পঞ্চম শ্রেণীর বই-পুস্তক ও খাতা আর সংরক্ষণ করেনি। অনেকেই ছোটদের দিয়ে দিয়েছে বা বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত অযৌক্তিক।
পরীক্ষার্থী প্রদীপ ও শ্রেয়া দাস জানায়, তারা বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত হওয়ায় এই পরীক্ষার জন্য কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তবুও তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, তবে ভালো করার বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
অন্যদিকে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের মধ্যেও দেখা গেছে ক্ষোভ। তাদের দাবি, পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৫ এপ্রিল ছিল পহেলা বৈশাখ—তাদের অন্যতম প্রধান উৎসবের দিন। সেই দিনেই পরীক্ষা শুরু হওয়ায় তারা বৈশাখী মেলা ও উৎসবে অংশ নিতে পারেনি।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, আইনি জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। যেহেতু শিক্ষার্থীদের সামনে শিগগিরই ষষ্ঠ শ্রেণীর প্রথম সাময়িক পরীক্ষা, তাই অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ থাকাটা স্বাভাবিক।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় মেহেন্দিগঞ্জে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১,৮১৫ জন। এর মধ্যে বালক ৬৬২ জন এবং বালিকা ১,১৫৩ জন। তবে অংশগ্রহণ করেননি ৮০৬ জন পরীক্ষার্থী—যার মধ্যে বালক ৩০১ জন এবং বালিকা ৫০৫ জন।
অভিভাবকদের অভিযোগ, সময়মতো পরীক্ষা না নিয়ে হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। অভিভাবক রফিকুল ইসলাম ও মোর্শেদা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ডিসেম্বর মাসে এই বৃত্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা বন্ধ রাখা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে প্রায় চার মাস পড়াশোনা করার পর হঠাৎ করে পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার ঘোষণা দেওয়া হয়।
তারা জানান, ষষ্ঠ শ্রেণীতে ওঠার পর অনেকেই পঞ্চম শ্রেণীর বই-পুস্তক ও খাতা আর সংরক্ষণ করেনি। অনেকেই ছোটদের দিয়ে দিয়েছে বা বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত অযৌক্তিক।
পরীক্ষার্থী প্রদীপ ও শ্রেয়া দাস জানায়, তারা বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত হওয়ায় এই পরীক্ষার জন্য কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তবুও তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, তবে ভালো করার বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
অন্যদিকে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের মধ্যেও দেখা গেছে ক্ষোভ। তাদের দাবি, পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৫ এপ্রিল ছিল পহেলা বৈশাখ—তাদের অন্যতম প্রধান উৎসবের দিন। সেই দিনেই পরীক্ষা শুরু হওয়ায় তারা বৈশাখী মেলা ও উৎসবে অংশ নিতে পারেনি।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, আইনি জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। যেহেতু শিক্ষার্থীদের সামনে শিগগিরই ষষ্ঠ শ্রেণীর প্রথম সাময়িক পরীক্ষা, তাই অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ থাকাটা স্বাভাবিক।

আপনার মতামত লিখুন