ঢাকা | ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউটে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনুপাতিক হারে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি স্কুলের আটজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন এবং বেসরকারি স্কুলের পাঁচজনের মধ্যে একজন বৃত্তির সুযোগ পাচ্ছে। ফলে এখানে কোনো বৈষম্য নেই।”
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বৃত্তি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ৬ লাখ ৪০ হাজার। এর মধ্যে সরকারি শিক্ষার্থী ৫ লাখ ৫০ হাজার এবং বেসরকারি ৯০ হাজার। মোট বৃত্তির সংখ্যা ৮২ হাজার ৫০০; এর মধ্যে সরকারি ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি ১৬ হাজার ৫০০ জন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী জানান, সারাদেশে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও অনুকূল পরিবেশে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “মাননীয় মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, এমপি সার্বক্ষণিক বিষয়টি তদারকি করছেন। সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মাঠপর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।”
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাঠ্যক্রমে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি, সেটি পুনরায় চালু করে সরকার শিক্ষাব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা হালনাগাদ করা হবে। বৃত্তির পরিমাণ ও সংখ্যা পুনর্বিবেচনা করা হবে এবং এতে সর্বোচ্চ সমতা নিশ্চিত করা হবে।
পরে প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদপুরের বেঙ্গলী মিডিয়াম হাই স্কুল কেন্দ্র ও মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা | ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউটে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনুপাতিক হারে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি স্কুলের আটজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন এবং বেসরকারি স্কুলের পাঁচজনের মধ্যে একজন বৃত্তির সুযোগ পাচ্ছে। ফলে এখানে কোনো বৈষম্য নেই।”
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বৃত্তি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ৬ লাখ ৪০ হাজার। এর মধ্যে সরকারি শিক্ষার্থী ৫ লাখ ৫০ হাজার এবং বেসরকারি ৯০ হাজার। মোট বৃত্তির সংখ্যা ৮২ হাজার ৫০০; এর মধ্যে সরকারি ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি ১৬ হাজার ৫০০ জন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী জানান, সারাদেশে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও অনুকূল পরিবেশে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “মাননীয় মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, এমপি সার্বক্ষণিক বিষয়টি তদারকি করছেন। সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মাঠপর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।”
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাঠ্যক্রমে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি, সেটি পুনরায় চালু করে সরকার শিক্ষাব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা হালনাগাদ করা হবে। বৃত্তির পরিমাণ ও সংখ্যা পুনর্বিবেচনা করা হবে এবং এতে সর্বোচ্চ সমতা নিশ্চিত করা হবে।
পরে প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদপুরের বেঙ্গলী মিডিয়াম হাই স্কুল কেন্দ্র ও মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন