চুয়াডাঙ্গায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে খোরশেদ আলম (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
অভিযুক্ত খোরশেদ আলম চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার জীবননগর বাসস্ট্যান্ডপাড়ার মৃত আক্কাস আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি শহরের সিঅ্যান্ডবিপাড়ায় বসবাস করেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে প্রতিবেশী ওই শিশুকে কৌশলে ডেকে নেন খোরশেদ আলম। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে শিশুটি পালিয়ে বাড়ি চলে যায় এবং পরিবারকে বিষয়টি জানায়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত খোরশেদ আলম ভয়ভীতি ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার রাতে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে খোরশেদকে আটক করেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল দেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত খোরশেদ আলমকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ শনিবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে খোরশেদ আলম (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
অভিযুক্ত খোরশেদ আলম চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার জীবননগর বাসস্ট্যান্ডপাড়ার মৃত আক্কাস আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি শহরের সিঅ্যান্ডবিপাড়ায় বসবাস করেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে প্রতিবেশী ওই শিশুকে কৌশলে ডেকে নেন খোরশেদ আলম। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে শিশুটি পালিয়ে বাড়ি চলে যায় এবং পরিবারকে বিষয়টি জানায়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত খোরশেদ আলম ভয়ভীতি ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার রাতে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে খোরশেদকে আটক করেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল দেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত খোরশেদ আলমকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ শনিবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন