খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বাজারগুলোতে হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম। আলু, পেঁপে ও গাজর ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই এখন ৭০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।
গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন, পটোল ও ঢ্যাঁড়সের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের ক্রেতারা।
সরেজমিনে ডুমুরিয়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মের ভরা মৌসুমেও পটোল, ঢ্যাঁড়স ও বরবটির কেজি ৮০ টাকায় ঠেকেছে। বাজারে সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, "এক কেজি করে পটোল, ঢ্যাঁড়স আর বরবটি কিনতেই ২৪০ টাকা শেষ। অন্যান্য বছর এই সময়ে এসব সবজি ৪০-৫০ টাকায় পাওয়া যেত। সবজির পেছনেই যদি এত টাকা যায়, তবে মাছ-মাংস খাবো কীভাবে?" অনেক পরিবারই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় এক সপ্তাহের সবজির চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম এবং জ্বালানি সংকটে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বেশি। বিক্রেতা মোশাররফ বলেন, "ভোরে বাজারে যে পরিমাণ সবজি আসে তার চেয়ে চাহিদা অনেক বেশি। আমরা বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করতে পারি না। দাম বাড়ায় আমাদের বিক্রি ও লাভ—দুটোই কমেছে।"
সবজির দামের তালিকা আলু: ২৫ টাকা কেজি। পেঁপে ও গাজর: ৪০ থেকে ৫০ টাকা।বেগুন: ৭০ থেকে ১০০ টাকা (জাতভেদে)। পটোল, ঢ্যাঁড়স, বরবটি, শিম ও সজনে: ৭০ থেকে ৮০ টাকা। করলা ও কাঁকরোল: ৮০ থেকে ১০০ টাকা। পেঁয়াজ: ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং কাঁচামরিচ: ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
সবজির দামে অস্থিরতা থাকলেও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। তবে কিছুটা কমতে শুরু করেছে সোনালি মুরগির দাম; যা ৪৫০ টাকা থেকে নেমে বর্তমানে ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১৫-১২০ টাকায়। এদিকে ঈদের আগে বেড়ে যাওয়া গরুর মাংসের দাম এখনো কমেনি; প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকা দরে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বাজারগুলোতে হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম। আলু, পেঁপে ও গাজর ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই এখন ৭০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।
গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন, পটোল ও ঢ্যাঁড়সের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের ক্রেতারা।
সরেজমিনে ডুমুরিয়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মের ভরা মৌসুমেও পটোল, ঢ্যাঁড়স ও বরবটির কেজি ৮০ টাকায় ঠেকেছে। বাজারে সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, "এক কেজি করে পটোল, ঢ্যাঁড়স আর বরবটি কিনতেই ২৪০ টাকা শেষ। অন্যান্য বছর এই সময়ে এসব সবজি ৪০-৫০ টাকায় পাওয়া যেত। সবজির পেছনেই যদি এত টাকা যায়, তবে মাছ-মাংস খাবো কীভাবে?" অনেক পরিবারই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় এক সপ্তাহের সবজির চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম এবং জ্বালানি সংকটে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বেশি। বিক্রেতা মোশাররফ বলেন, "ভোরে বাজারে যে পরিমাণ সবজি আসে তার চেয়ে চাহিদা অনেক বেশি। আমরা বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করতে পারি না। দাম বাড়ায় আমাদের বিক্রি ও লাভ—দুটোই কমেছে।"
সবজির দামের তালিকা আলু: ২৫ টাকা কেজি। পেঁপে ও গাজর: ৪০ থেকে ৫০ টাকা।বেগুন: ৭০ থেকে ১০০ টাকা (জাতভেদে)। পটোল, ঢ্যাঁড়স, বরবটি, শিম ও সজনে: ৭০ থেকে ৮০ টাকা। করলা ও কাঁকরোল: ৮০ থেকে ১০০ টাকা। পেঁয়াজ: ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং কাঁচামরিচ: ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
সবজির দামে অস্থিরতা থাকলেও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। তবে কিছুটা কমতে শুরু করেছে সোনালি মুরগির দাম; যা ৪৫০ টাকা থেকে নেমে বর্তমানে ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১৫-১২০ টাকায়। এদিকে ঈদের আগে বেড়ে যাওয়া গরুর মাংসের দাম এখনো কমেনি; প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকা দরে।

আপনার মতামত লিখুন