ফরিদপুর শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে চাঁদা না পেয়ে আমিন শরীফ (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী ও কৃষকদল নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে সন্ত্রাসীরা।
ফরিদপুর শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে চাঁদা না পেয়ে আমিন শরীফ (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী ও কৃষকদল নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা।
আহত আমিন শরীফ ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের সহ-সভাপতি এবং ওই বাজারের ‘আবাসিক হোটেল সিটি গার্ডেন’-এর মালিক।
গত রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় রোববার রাতেই তার ছেলে মো. সরোয়ার শরীফ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হোটেলের দ্বিতীয় তলার কাউন্টারে প্রবেশ করে আমিন শরীফের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সন্ত্রাসীরা হোটেলের আসবাবপত্র ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে।
একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তাকে হোটেলের ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে প্রধান আসামি তমাল চাপাতি দিয়ে আমিন শরীফের মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকান। এতে তার বাম হাতের কবজি ও বাহু গুরুতর জখম হয়।
অন্য আসামি মাহমুদ ছ্যানদা দিয়ে কোপ দিলে তার কনুইয়ের ওপরে জখম হয়। এছাড়া রড ও পাইপের আঘাতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়েছে। সন্ত্রাসীরা যাওয়ার সময় তার পকেট থেকে নগদ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং চাঁদা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়।
ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুন অর রশিদ মামুন এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন "নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে আমিন শরীফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
মামলায় শহরের আলিপুর পাকিস্তান পাড়া এলাকার মৃত হিরু কসাইয়ের দুই ছেলে তমাল (৩০) ও মাহমুদকে (৩৫) নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা চিহ্নিত চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় এজাহার পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুর শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে চাঁদা না পেয়ে আমিন শরীফ (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী ও কৃষকদল নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে সন্ত্রাসীরা।
ফরিদপুর শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে চাঁদা না পেয়ে আমিন শরীফ (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী ও কৃষকদল নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা।
আহত আমিন শরীফ ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের সহ-সভাপতি এবং ওই বাজারের ‘আবাসিক হোটেল সিটি গার্ডেন’-এর মালিক।
গত রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় রোববার রাতেই তার ছেলে মো. সরোয়ার শরীফ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হোটেলের দ্বিতীয় তলার কাউন্টারে প্রবেশ করে আমিন শরীফের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সন্ত্রাসীরা হোটেলের আসবাবপত্র ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে।
একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তাকে হোটেলের ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে প্রধান আসামি তমাল চাপাতি দিয়ে আমিন শরীফের মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকান। এতে তার বাম হাতের কবজি ও বাহু গুরুতর জখম হয়।
অন্য আসামি মাহমুদ ছ্যানদা দিয়ে কোপ দিলে তার কনুইয়ের ওপরে জখম হয়। এছাড়া রড ও পাইপের আঘাতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়েছে। সন্ত্রাসীরা যাওয়ার সময় তার পকেট থেকে নগদ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং চাঁদা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়।
ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুন অর রশিদ মামুন এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন "নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে আমিন শরীফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
মামলায় শহরের আলিপুর পাকিস্তান পাড়া এলাকার মৃত হিরু কসাইয়ের দুই ছেলে তমাল (৩০) ও মাহমুদকে (৩৫) নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা চিহ্নিত চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় এজাহার পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন