শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ৬ বছরের এক শিশুকে মসজিদের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম আবুল বাশার ফরাজিকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের সরদার কান্দি বাইতুল মামুর জামে মসজিদে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত আবুল বাশার ফরাজি জয়নগর ইউনিয়নের ছোট গোপালপুর গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন ফরাজির ছেলে। তিনি সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমামের পাশাপাশি স্থানীয় একটি মহিলা মাদরাসার শিক্ষক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় সোমবার বিকেলে ইমাম আবুল বাশার কৌশলে শিশুটিকে মসজিদের ভেতরে ডেকে নিয়ে যান এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন দ্রুত মসজিদে এসে ইমামকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
জাজিরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান "প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ইমাম তার অপরাধ স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।"
এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ৬ বছরের এক শিশুকে মসজিদের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম আবুল বাশার ফরাজিকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের সরদার কান্দি বাইতুল মামুর জামে মসজিদে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত আবুল বাশার ফরাজি জয়নগর ইউনিয়নের ছোট গোপালপুর গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন ফরাজির ছেলে। তিনি সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমামের পাশাপাশি স্থানীয় একটি মহিলা মাদরাসার শিক্ষক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় সোমবার বিকেলে ইমাম আবুল বাশার কৌশলে শিশুটিকে মসজিদের ভেতরে ডেকে নিয়ে যান এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন দ্রুত মসজিদে এসে ইমামকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
জাজিরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান "প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ইমাম তার অপরাধ স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।"
এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন