মাগুরার শ্রীপুরে তুচ্ছ কলাগাছ নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে পুত্রবধূর দায়ের করা মামলায় শাশুড়িসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে সোমবার উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের চর মহেশপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— ওই গ্রামের ভ্যানচালক ওহাবের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম এবং তার ছোট ছেলের পুত্রবধূ লিমা খাতুন।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ঝর্ণা বেগমের ছেলের লাগানো কলাগাছ হেলে পড়লে তিনি সেগুলো সোজা করার জন্য কিছু পাতা কেটে দেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুত্রবধূ রাশিদা বেগমের সাথে শাশুড়ি ঝর্ণা বেগমের প্রচণ্ড বাগবিতণ্ডা হয়। ঝর্ণা বেগমের দাবি, একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় এবং তার মাথার চুল টেনে উপড়ে ফেলা হয়। আত্মরক্ষার্থে তিনি পাল্টা আক্রমণ করেন।
এই ঘটনার পর পুত্রবধূ রাশিদা বেগম থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে পুলিশ শাশুড়ি ঝর্ণা বেগম ও অন্য পুত্রবধূ লিমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে।
শ্রীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. আতাউর রহমান জানান, রাশিদা বেগমের দায়ের করা নিয়মিত মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একটি তুচ্ছ পারিবারিক ঘটনা মামলা ও গ্রেপ্তার পর্যন্ত গড়ানোয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অনেকেই একটি ছোট বিষয় নিয়ে এমন আইনি জটিলতায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
মাগুরার শ্রীপুরে তুচ্ছ কলাগাছ নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে পুত্রবধূর দায়ের করা মামলায় শাশুড়িসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে সোমবার উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের চর মহেশপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— ওই গ্রামের ভ্যানচালক ওহাবের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম এবং তার ছোট ছেলের পুত্রবধূ লিমা খাতুন।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ঝর্ণা বেগমের ছেলের লাগানো কলাগাছ হেলে পড়লে তিনি সেগুলো সোজা করার জন্য কিছু পাতা কেটে দেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুত্রবধূ রাশিদা বেগমের সাথে শাশুড়ি ঝর্ণা বেগমের প্রচণ্ড বাগবিতণ্ডা হয়। ঝর্ণা বেগমের দাবি, একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় এবং তার মাথার চুল টেনে উপড়ে ফেলা হয়। আত্মরক্ষার্থে তিনি পাল্টা আক্রমণ করেন।
এই ঘটনার পর পুত্রবধূ রাশিদা বেগম থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে পুলিশ শাশুড়ি ঝর্ণা বেগম ও অন্য পুত্রবধূ লিমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে।
শ্রীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. আতাউর রহমান জানান, রাশিদা বেগমের দায়ের করা নিয়মিত মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একটি তুচ্ছ পারিবারিক ঘটনা মামলা ও গ্রেপ্তার পর্যন্ত গড়ানোয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অনেকেই একটি ছোট বিষয় নিয়ে এমন আইনি জটিলতায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন