গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এ বছরের পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। উপজেলার নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে শুরু থেকেই কঠোর শৃঙ্খলা ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনে মুকসুদপুরের ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২০টি মাদ্রাসার প্রায় ২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এ বছর উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৫১১ জন, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দুপুর ১টায় প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হয়।
উপজেলার মোট ৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্রগুলো হলো সরকারি মুকসুদপুর কলেজ। সরকারি সাবের মিয়া জসিমউদ্দীন (এসজে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। মুকসুদপুর পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়। জলিরপাড় কলিগ্রাম মুকুন্দ বিহারী মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবিরের নির্দেশনায় প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে সাধারণের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পর্যবেক্ষক দল বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে জানান, প্রথম দিনের পরীক্ষায় কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা নকলের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এ বছরের পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। উপজেলার নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে শুরু থেকেই কঠোর শৃঙ্খলা ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় ছিল।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনে মুকসুদপুরের ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২০টি মাদ্রাসার প্রায় ২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এ বছর উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৫১১ জন, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দুপুর ১টায় প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হয়।
উপজেলার মোট ৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্রগুলো হলো সরকারি মুকসুদপুর কলেজ। সরকারি সাবের মিয়া জসিমউদ্দীন (এসজে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। মুকসুদপুর পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়। জলিরপাড় কলিগ্রাম মুকুন্দ বিহারী মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবিরের নির্দেশনায় প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে সাধারণের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পর্যবেক্ষক দল বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে জানান, প্রথম দিনের পরীক্ষায় কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা নকলের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন