চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজ ও আশপাশের এলাকায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনভর ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
হেলমেট পরিহিত এবং ধারালো অস্ত্রধারী একদল যুবকের তান্ডবে নিউমার্কেট ও কোতোয়ালি এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনার মূলে ছিল ক্যাম্পাসের একটি গ্রাফিতি। জানা গেছে, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের একটি গ্রাফিতিতে লেখা 'ছাত্র রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস' থেকে 'ছাত্র' শব্দটি মুছে 'গুপ্ত' লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতার ফেসবুক আইডিতে এর ভিডিও প্রচার হওয়ার পর দুই সংগঠনের মধ্যে বিরোধ তুঙ্গে ওঠে।
সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক শিক্ষার্থীর পায়ের গোড়ালি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হেলমেট পরিহিত যুবকদের রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করতে দেখা যায়।
বিকেলের দিকে নিউমার্কেট মোড়ে দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষ শুরু হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং যান চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতায় সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ ডিগ্রি ও মাস্টার্সের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা এবং সকল ক্লাস বাতিল ঘোষণা করে।
তাদের দাবি, আহত মোহাম্মদ আশরাফ পাহাড়তলি ওয়ার্ড শিবিরের সভাপতি। শিবিরের অভিযোগ, ওমর গনি এমইএস কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব মির্জা ফারুকের নেতৃত্বে রামদা নিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।
মহানগর ছাত্রদলের দাবি, শিবিরের নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে তাদের ৫-৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন।
কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন জানিয়েছেন, বর্তমানে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজ ও আশপাশের এলাকায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনভর ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
হেলমেট পরিহিত এবং ধারালো অস্ত্রধারী একদল যুবকের তান্ডবে নিউমার্কেট ও কোতোয়ালি এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনার মূলে ছিল ক্যাম্পাসের একটি গ্রাফিতি। জানা গেছে, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের একটি গ্রাফিতিতে লেখা 'ছাত্র রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস' থেকে 'ছাত্র' শব্দটি মুছে 'গুপ্ত' লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতার ফেসবুক আইডিতে এর ভিডিও প্রচার হওয়ার পর দুই সংগঠনের মধ্যে বিরোধ তুঙ্গে ওঠে।
সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক শিক্ষার্থীর পায়ের গোড়ালি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হেলমেট পরিহিত যুবকদের রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করতে দেখা যায়।
বিকেলের দিকে নিউমার্কেট মোড়ে দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষ শুরু হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং যান চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতায় সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ ডিগ্রি ও মাস্টার্সের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা এবং সকল ক্লাস বাতিল ঘোষণা করে।
তাদের দাবি, আহত মোহাম্মদ আশরাফ পাহাড়তলি ওয়ার্ড শিবিরের সভাপতি। শিবিরের অভিযোগ, ওমর গনি এমইএস কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব মির্জা ফারুকের নেতৃত্বে রামদা নিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।
মহানগর ছাত্রদলের দাবি, শিবিরের নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে তাদের ৫-৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন।
কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন জানিয়েছেন, বর্তমানে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন