খুলনার পানখালী ফেরিঘাট এলাকায় কামাল শেখের মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচা খাবার সংরক্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এই কর্মকাণ্ড হাতেনাতে ধরে ফেলায় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে একটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) তীব্র গরমে পানি পানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক পানখালী ফেরিঘাটে কামাল শেখের মিষ্টির দোকানে যান। সেখানে ফ্রিজ থেকে পানির বোতল বের করার পর উৎকট পচা দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে সাংবাদিকরা ফ্রিজটি খুলে দেখতে চাইলে মালিক কামাল শেখ অনীহা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ফ্রিজ খোলা হলে দেখা যায়, সেখানে দীর্ঘদিনের পচা মাংস, মাছ এবং বাসি মশলাজাতীয় দ্রব্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় সংরক্ষিত রয়েছে।
অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সাংবাদিকরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে অবহিত করতে চাইলে দোকান মালিক কামাল শেখ নিজের ভুল স্বীকার করেন। তিনি ভবিষ্যতে ফ্রিজে মিষ্টি ছাড়া অন্য কিছু রাখবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন এবং প্রতিবেদন প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
এ সময় এক সাংবাদিক খাবারের বিল বাবদ ১০০০ টাকার নোট দিলেও কামাল শেখ প্রথমে তা গ্রহণ করে পরে নাটকীয়ভাবে ফেরত দেন। সাংবাদিকরা বিল পরিশোধ করতে চাইলেও তিনি জোরপূর্বক অন্য এক সাংবাদিকের পকেটে টাকাটি গুঁজে দিয়ে ক্ষমা চান এবং অনুরোধের পুনরাবৃত্তি করেন।
ঘটনার মূল সত্য ধামাচাপা দিতে ওই দিন দুপুরে কিছু অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে বিকৃত তথ্য প্রচার করা হয়। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা একে 'পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
সাংবাদিকরা বলেন, "জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ একটি অসাধু মহল সাংবাদিকদের পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। যারা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।"
সচেতন মহল মনে করেন, জনস্বাস্থ্য নিয়ে এমন অবহেলা যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনি সত্য প্রকাশে বাধা দিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
খুলনার পানখালী ফেরিঘাট এলাকায় কামাল শেখের মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচা খাবার সংরক্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এই কর্মকাণ্ড হাতেনাতে ধরে ফেলায় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে একটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) তীব্র গরমে পানি পানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক পানখালী ফেরিঘাটে কামাল শেখের মিষ্টির দোকানে যান। সেখানে ফ্রিজ থেকে পানির বোতল বের করার পর উৎকট পচা দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে সাংবাদিকরা ফ্রিজটি খুলে দেখতে চাইলে মালিক কামাল শেখ অনীহা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ফ্রিজ খোলা হলে দেখা যায়, সেখানে দীর্ঘদিনের পচা মাংস, মাছ এবং বাসি মশলাজাতীয় দ্রব্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় সংরক্ষিত রয়েছে।
অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সাংবাদিকরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে অবহিত করতে চাইলে দোকান মালিক কামাল শেখ নিজের ভুল স্বীকার করেন। তিনি ভবিষ্যতে ফ্রিজে মিষ্টি ছাড়া অন্য কিছু রাখবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন এবং প্রতিবেদন প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
এ সময় এক সাংবাদিক খাবারের বিল বাবদ ১০০০ টাকার নোট দিলেও কামাল শেখ প্রথমে তা গ্রহণ করে পরে নাটকীয়ভাবে ফেরত দেন। সাংবাদিকরা বিল পরিশোধ করতে চাইলেও তিনি জোরপূর্বক অন্য এক সাংবাদিকের পকেটে টাকাটি গুঁজে দিয়ে ক্ষমা চান এবং অনুরোধের পুনরাবৃত্তি করেন।
ঘটনার মূল সত্য ধামাচাপা দিতে ওই দিন দুপুরে কিছু অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে বিকৃত তথ্য প্রচার করা হয়। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা একে 'পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
সাংবাদিকরা বলেন, "জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ একটি অসাধু মহল সাংবাদিকদের পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। যারা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।"
সচেতন মহল মনে করেন, জনস্বাস্থ্য নিয়ে এমন অবহেলা যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনি সত্য প্রকাশে বাধা দিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত।

আপনার মতামত লিখুন