গাইবান্ধায় মোনালিসা আক্তার (১৫) নামে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের কোমরনই এলাকায় দুলাভাইয়ের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মোনালিসা পশ্চিম কোমরনই এলাকার হান্নান মিয়ার মেয়ে এবং এন এইচ মডার্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী গোলাপ মিয়ার ছেলে শ্রাবণের সঙ্গে মোনালিসার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার তারা দুজনে বাড়ি ছাড়লে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সন্ধান পাওয়া গেলে একটি সালিসের মাধ্যমে মোনালিসাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
সালিসের পর তাকে তার বড় বোন লিমার বাড়িতে রাখা হয়েছিল। সেখানেই বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে তার মৃত্যু হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান "খবর পেয়ে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহালে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধায় মোনালিসা আক্তার (১৫) নামে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের কোমরনই এলাকায় দুলাভাইয়ের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মোনালিসা পশ্চিম কোমরনই এলাকার হান্নান মিয়ার মেয়ে এবং এন এইচ মডার্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী গোলাপ মিয়ার ছেলে শ্রাবণের সঙ্গে মোনালিসার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার তারা দুজনে বাড়ি ছাড়লে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সন্ধান পাওয়া গেলে একটি সালিসের মাধ্যমে মোনালিসাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
সালিসের পর তাকে তার বড় বোন লিমার বাড়িতে রাখা হয়েছিল। সেখানেই বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে তার মৃত্যু হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান "খবর পেয়ে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহালে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।"

আপনার মতামত লিখুন